Latest News

Popular Posts

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সুর চড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নরিমান

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সুর চড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নরিমান

Mysepik webdesk: দেশে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে গত কয়েক বছরে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের বিরুদ্ধে এই আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ ক্রমাগত করে আসছে বিরোধীরা। সুপ্রিম কোর্টও বহুবার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এখন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর. এফ. নরিমান এই আইন বাতিলের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি এই আইনের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং একে ঔপনিবেশিক মানসিকতার আইন বলে অভিহিত করেছেন।

বিচারপতি নরিমান বলেন, “এই রাষ্ট্রদ্রোহ আইন সম্পূর্ণরূপে বাতিল করার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার অনুমতি দেওয়ার সময় এসেছে।” বিচারপতি নরিমান সম্প্রতি মুম্বইয়ের একটি ল’ স্কুলের ভার্চুয়াল প্রোগ্রামে বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সরকারের সমালোচনাকারী যুবক, ছাত্র এবং স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ানদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই আইন ঔপনিবেশিক প্রকৃতির। দেশের সংবিধানে এর কোনও জায়গা নেই।”

আরও পড়ুন: ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরকে অপহরণ, অভিযোগ চিন-সেনার বিরুদ্ধে

নরিমানের কথায়, “একদিকে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা হচ্ছে। একইসঙ্গে যাঁরা উত্তেজক বক্তৃতা দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেউ কেউ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে গণহত্যার ডাক দিলেও তাদের বিরুদ্ধেও জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। কর্মকর্তারাও উদাসীন। দুর্ভাগ্যবশত, ক্ষমতার সর্বোচ্চ স্তরে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের কেউ কেউ এই ধরনের উসকানিমূলক ভাষা শুনে শুধু নীরব নয়, প্রায় সমর্থনও করে বসছেন।” তিনি বলেন, “এটা জেনে আনন্দিত যে, উপরাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু সম্প্রতি বলেছেন, ঘৃণামূলক বক্তব্য কেবল অসাংবিধানিক নয় বরং একটি অপরাধ।”

বিচারপতি নরিমানের পরামর্শ, সংসদকে ঘৃণামূলক বক্তব্যের জন্য ন্যূনতম শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। বিচারপতি প্রসঙ্গত বলেন, “যদিও ঘৃণামূলক বক্তব্যের জন্য একজন অভিযুক্তকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া যেতে পারে, তবে ন্যূনতম শাস্তির বিধান না থাকায় তা কখনোই ঘটে না। আমরা যদি আইনের শাসন মজবুত করতে চাই, তাহলে সংসদের উচিত ন্যূনতম শাস্তির জন্য আইন আনা।”

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *