সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৫)

সুরঞ্জন প্রামাণিক

সকলেই আমার মুখের দিকে তাকাল। কী দেখল কে জানে। কয়েকজন তাদের মোবাইল স্ক্রিনে চোখ রাখল। আমি বললাম, ‘আমিও দেখে নিতে পারব। প্লিজ স্টপ!’ সকলেই আমার দিকে আবারও মন দিল। বললাম, ‘পাপ সম্বন্ধে আমরা সকলেই একটা ভালো ধারণা তৈরি করে নিতে পেরেছি, সন্দেহ নেই। আদি পাপের একটা গল্প বাইবেলে আছে, এটা আমরা সকলেই জানি কিন্তু আমাদের পরিবারে এক আদি পাপের ধারণা আছে, এটা আমি সম্প্রতি জেনেছি— এই পাপ থেকে মুক্তিও সম্ভব, এমন বিশ্বাস আমার মা-বাবা লালন করেন— কৃষিজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, আত্মহত্যার খবর দেখলে আমার মধ্যেও বিশ্বাসটার উপস্থিতি টের পাই— বুঝতেই পারছ আমার পথহাঁটা কেন থমকে গেছে!’

রুদ্র জিজ্ঞেস করল, ‘তোমাদের গল্পটা বলা যাবে?’

আরও পড়ুন: রিপন কলেজ: কলকাতা থেকে দিনাজপুর

আমি বললাম, ‘যাবে।’ তোমার জানা গল্পটাই, তারপর আমি এই বলে শুরু করলাম যে, সে কত কত যুগ আগে, যেন আমি সেই যুগে পাড়ি দিলাম, পৌঁছে বললাম, ‘আমাদের কোনও এক পূর্বপুরুষের বউ পথের পাশে পড়ে থাকা, মরতে বসা এক মানুষকে আহার দিয়েছিল। পরের দিন দেখে মানুষটা উঠে বসেছে। সে আবার তাকে খেতে দেয়। তিন দিনের দিন মানুষটা ক্ষীণ স্বরে কথা বলে। বউটার খুব আনন্দ হয়। চতুর্থ দিনে আকাশে অকাল মেঘ দেখে মানুষটাকে সে বাড়িতে নিয়ে আসে। গোয়ালঘরের ছাঁচিতে তার থাকার জায়গা হয়। তখন ধান কাটার সময় আরও কয়েক দিন পর মানুষটা বলল, সে মাঠের কাজ জানে। তাকে যেন একটা কাঁচি দেওয়া হয়। বউটা লক্ষ করল, জিরানোর সময় আলে বসে লোকটা সূর্যের দিকে চেয়ে থাকে। এক দিন জিজ্ঞেস করায় মানুষটা বলল এমনি দেখে সে! দেখতে ভালো লাগে। তাই দেখে কী দেখে? সূর্যের দান। কিরণে সে হলুদ ধান দেখতে পায়! সেই দান নিয়ে ধানগাছ ক’দিনের জীবন মাত্র, কী আনন্দে বাঁচে! আর দু’হাত ভরে প্রাণ দিয়ে যায়। কথাগুলো বুঝেও বউটা বুঝতে পারে না। কিন্তু শুনতে ভালো, শব্দগুলো সবই চেনা। এক দিন এক ছড়া ধান হাতের তালুতে রেখে যেন মুগ্ধ হয়ে দেখছিল মানুষটা। তার পর একটা ঝরা ধান তুলে নিয়ে হাতের তালুতে রাখল। দাঁড়িয়ে থাকা বউটার দিকে হাতটা তুলে ধরল। বীজ, বলল সে, প্রাণবীজ! হাতের তালুতে ধান— বউটার চোখে আশ্চর্য লাগল, যেন কচুপাতায় জলের মতো। হাত বেয়ে বউটার দৃষ্টি তার দিকে তুলে ধরা মুখে গিয়ে স্থির হল। ঘোর লাগল। বউটা কী দেখল কে জানে! মূর্ছা গেল! বউটার স্বামী, বৃদ্ধ শ্বশুর ছুটে এলো আরও জন-মুনীশ। মানুষটা তখন প্ৰণত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে। বউটা তখন যেন ধানের বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে আছে। তার স্বামী দেখল গভীর ঘুমের তৃপ্তি লেগে আছে তার চোখে-মুখে। এই তৃপ্ত মুখ তার চেনা। তাকে যেন জাগানো হল।’ এখানে একটু ঘামতে হল আমাকে। কে যেন বলল, ‘তার পর?’ না, তুমি নও, বিভ্রম নয়। কেমন এক আচ্ছন্নতার মধ্যে ছিলাম বলে কে বলল খেয়াল করতে পারিনি। বললাম, ‘তার পর তারা জানা গেল মানুষটা সূর্য-উপাসক। সূর্যের সঙ্গে তার কথা হয়। কী কথা? প্রাণের কথা। জীবনের কথা। আর সে আশ্চর্য এক কথা জানাল। সূর্যের দান সব গাছেরা, এমনকী ঘাস পর্যন্ত পায়। সূর্যদেবের নিয়মে সেই দান যার যেমন পাওয়ার কথা সকলকে দিচ্ছে এই সব গাছ-ঘাস— এরা। ফলমূল বীজ কেবল ধানগাছ চাষিদের মাধ্যমে আর সকলকে দেয়— এটাই সূর্যের নির্দেশ! এ-সব কথা শুনে এক দিন বউটা জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? মানুষটা বলল, যা দেখছ, আমি তাই! বউটা বলল, বুঝিয়ে বলো মানুষটা বলল, আমি একজন পথিক— পথিক আমি না খেতে পেয়ে মরতে বসেছিলাম, সাক্ষী তুমি। আমি একজন চাষি আমার কাজ তোমরা দেখেছ। আগেই বলেছি, আমি সূর্য-উপাসক। একজন কথকও বটে— সূর্যের নিয়ম সকলকে জানাই, বিশেষ করে চাষিকে জানানো আমার ধর্ম। চাষির ধর্ম সকলকে প্রাণ দেওয়া, যেমন তুমি আমাকে দিয়েছ।’

সোমা বলল, ‘তার পর?’

‘তার পর— তখন বউটা জিজ্ঞেস করল, আমি কে? মানুষটা বলল, নিজেকে দেখ! তুমি যা, তুমি তা-ই!

‘বউটা বলল, তুমি আমাকে কীভাবে দেখছ?

‘মানুষটা বলল, এক কথায় তুমি ফসলের দেবী মা! বসুমাতার সাক্ষাৎ প্রতিমা তুমি বলে সে প্রণাম করল। দু’পা পিছিয়ে গেল বউটা, এ কী! যে তুমি সূর্যপ্রণামকর, সেই তুমি! মৃদু হাসল মানুষটা।

আরও পড়ুন: নদিয়ার পুতুলনাচ

‘তার পরের দিন মানুষটাকে আর দেখা গেল না। কেবল বউটার নজরে পড়ল মাটির মেঝেতে এক সূর্য আঁকা। মাটি কুঁদে কুঁদে আঁকা হয়েছে ছবিটা। অনেকক্ষণ ধরে সে ছবিটা দেখল আর স্পষ্ট দেখতে পেল সেই মানুষটার মুখ, যেমন দেখেছিল প্রাণবীজ দেখার সময়, যেন মানুষটা নিজেকে এঁকে গেছে। বউটা সকলকে ডেকে দেখাল। পটচিত্রের মতো ছবিটাকে তারা যত্নে রাখল। আর প্রতিদিন সকালে তারা সূর্যকে প্রণাম করতে শুরু করল। সেই মানুষটার পরামর্শমতো চাষ করে আরও ভালো ফসল পাওয়া গেল। এভাবেই চলছিল। কত যুগ কেটে গেল। আমাদের ধানবান পরিবার ধনবান হল। তখন কোন পথে যে পাপ ঢুকল! কেউ বলে, সেবার খুব আকাল; তখন পথেঘাটে, ঘরে ঘরে মানুষ কঙ্কাল হয়ে মরে যাচ্ছে। বসতি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সেই সময় এক মা আমাদের বংশের কোনও এক ঘরে তার ছেলেমেয়েকে বাঁচানোর আর্তি নিয়ে গিয়েছিল। তার সঙ্গে শোয়ার চুক্তিতে তাকে একবেলা খাওয়ার মতো চাল দেওয়া হয় সেই শুরু। কেউ বলে, তারও আগে, যখন থেকে সেও এক গল্প, এক পুরুষ মৌমাছি নাকি আমাদের কোনও এক পুরুষকে বলেছিল, সব ধান বিলিও না, কিছু রেখে দাও, সময়ে কাজে লাগবে, যাকে খুশি রানি বানাতে পারবে!’

বুঝতে পারছ তো, এ-সব গল্প আমি সাবলীল বানাতে পারলাম। গল্প বুনতে বুনতে কখন আমি চোখ বুজে কথা বলছিলাম। চোখ মেলে দেখি সোমা আমাকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে দেখছে আর আমার মনে পড়ে গেল ‘রাজা শুদ্ধোধন ‘— বললাম, ‘আমার পূর্বপুরুষের কেউ নিশ্চয়ই রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিল— আর কেউ কেউ কৃষিজীবী থেকে গেছে, তাদেরই বংশধর আমার বাবা, মা— আমরা এখন আর চাষ করি না, কিন্তু সেই সূর্যকে আজও মনে রেখেছি। হয়তো এ কারণে আমার মামা নকশালবাড়ি কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন— এবার বলো!’

সুব্রত বলল, ‘কিন্তু সেই আন্দোলন নেই আর।’

‘আমি কিন্তু সেই আন্দোলন আছে কি নেই, বলছি না! আমি বলতে চাইছি, কৃষক মুক্তি— এই ধারণাকে কি পাপমুক্তি-ধারণার সঙ্গে মেলানো যায়?’

সোমা বলল, ‘তুই এ-রকম ভাবছিস কেন?’

‘এ ভাবনাটা এসেছে বুদ্ধ থেকে, এসেছে আমার মা-বাবার বিশ্বাস থেকে, বিশ্বাসের কথাটা তো বলেছি!’

কল্যাণ বলল, ‘আর-একটু যদি খুলে বলো!’

আমি সোমার দিকে তাকালাম। আমার চোখে একটা আবেদন ছিল কিন্তু সোমা হয়তো বুঝতে পারেনি, সেও বলল, ‘বল্!’ যেন অনুমতি দিল। আমি তখন, যেমন আগে বলেছি কিশোর সিদ্ধার্থের গল্প, চাষিদের প্রতি তার অনুকম্পার গল্প, আবারও বলে বললাম, ‘কৃষকের দুঃখ-দুর্দশার কথা সিদ্ধার্থই প্রথম অনুভব করেন কিন্তু কৃষকের দুঃখমুক্তির কথা তিনি আর কখনও ভাবেননি, যদি ভাবতেন! তাঁর মনে নিশ্চয়ই এই প্রশ্ন জাগত, কোন্ কর্মফলে মানবের কৃষকজীবন এমন দুঃখময়? পাপ থেকে দুঃখ, তা হলে দুঃখমুক্তির তত্ত্ব মানে পাপ থেকে মুক্তি— এ-রকম মনে হয়েছে আমার কিন্তু বাস্তবত, তা সম্ভব নয়, কারণ, দুঃখের কারণ পাপ! তা হলে পাপমুক্তি থেকে দুঃখনিবৃত্তি— এই ভাবনা এসেছে আর তার পর-পরই ওই কৃষকমুক্তির ধারণা।’

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার সূর্যদের লড়াইধন্য সেইসব পবিত্র ভূমি

রুদ্র বলল, ‘দিদিমণি! মাথা ঝিম ঝিম করছে। আমি বললাম, ‘সত্যিই মাথা ঝিমঝিমে ব্যাপার!’

সত্যব্রত বলল, ‘মানে মহাকারণ থেকে কৃষককে মুক্ত করতে হবে!’ সত্যব্রতর কথাটা তার পাপ-ধারণার সঙ্গে যেন জুড়ে গেল, তখন নতুন চিন্তার পথ দেখা যাচ্ছে আর তখনই শুনতে পেলাম সুব্রত বলছে, ‘কে করবে? নকশালরা তো করতে গিয়েছিল!’

আমি বললাম, ‘সত্যদার কথাটার ক্রিয়াপদ বদলে যদি বলা হয়— মহাকারণ থেকে কৃষককে মুক্ত হতে হবে, তা হলে কে করবে— এই ব্যাপারটা আর থাকছে না!’ কথাটা বলে আমি সত্যব্রতর মুখ দেখলাম, মনে হল তার মুখমণ্ডলে আশ্চর্য এক আলো খেলা করছে, সেই আলো যেন আমাকেও ছুঁয়ে দিল, ‘মানে আমি বলতে চাইছি, কৃষকের মুক্তি ব্যাপারটা কৃষকের নিজের— আদিপাপ থেকে নিজেকে মুক্ত করা!’

একটু বিরক্তির সুরে কল্যাণ বলল, ‘তা হলে ব্যাপারটা নিয়ে আমরা ভাবছি কেন?’

আমি বললাম, ‘আসলে ভাবনাটা তো আমার, মানে এক চাষার মেয়ের— আমার দেহে চাষার রক্ত বইছে আর তোমরা আমার বন্ধু হয়েছ বলে ভাবনায় জড়িয়ে গেছ। সবমিলিয়েই আমরা ভাবছি!’

রুদ্র বলল, ‘তুমি আমাদের বন্ধু না হলেও এমন বিষয় যদি আমাদের সামনে আসত, আমরা ভাবতাম, স্বাভাবিকভাবেই ভাবনা আসত, অন্তত আমার ক্ষেত্রে— কুড়ি বছর আগেও আমরা চাষি ছিলাম। চাষের জমি বিক্রি করে বাবা পেট্রোল পাম্প করেছেন। তা ছাড়া আমার মনে হয়, আমাদের সকলেরই অরিজিন এক সময় কোনও না কোনওভাবে চাষের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাই ভাবছি!’

এতক্ষণে সায়ন বলল, ‘বাবার মুখে শোনা, আমার ঠাকুরদা নাঙল-জোয়াল বানাতেন!’

সুব্রত বলে উঠল, ‘তার মানে আমরা সকলেই আদিপাপের বাহক!’ আমি বললাম, ‘বাহক কি না ভেবে দেখো!’

সোমা বলল, ‘আমাদের বেঁচে থাকা তো অন্ননির্ভর, অন্যনির্ভরও বটে, অন্ন আসে কৃষকের কাছ থেকে এ জন্যও কৃষকের দুঃখ লাঘবের কথা আমাদের ভাবা উচিত। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন, বিনতাকে, আদিপাপের কারণ কী?’ আমার মনে পড়ল ‘তাঁর দান আমরা কুক্ষিগত করেছি’— এটা আমি বলেছি, আবারও বলে বললাম, অর্থাৎ যাকে যা দেওয়ার তা না দেওয়া। এক কথায় বঞ্চনা।’

‘এই না দেওয়ার কারণ কী?’ বলল সোমা, ‘বা তা মনে ঘটে কেন?’ তখন রুদ্র যেন সোমার কথা সম্পূর্ণ করল, ‘অথবা, কেন মনে বিপরীতটা ঘটেনি?’

আমি কল্যাণের দিকে তাকালাম, সে যেন বলছে, বলো গার্গী চুপ করে থেকো না! বলো! গার্গী বলো। বললাম, ‘আমি জানি না!’ সোমার দিকে অসহায় চেয়ে থেকে যেন আমি ত্রাণ চাইলাম। সোমা বলল, ‘সম্ভবত এটা আমরা কেউই জানি না।’

কথাটা শোনার পর যেন ক্লান্তিতে আমার চোখ বুজে এলো। সেই অবস্থাতে আমি শুনছি, সোমা বলছে, ‘কিন্তু অনুমান করা যায়, উত্তর যাই হোক তা-ই হবে আপাত রুট ক‍্যজ!’

তার মানে, ভাবলাম আমি, আমার পূর্বপুরুষের কেউ কেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত ধান তার কাছে রেখেছিল— একটা রূপালি রেখা যেন দেখতে পেলাম আমি, বলে উঠলাম, ‘নিশ্চয়ই আমরা রুট ক্যজ খুঁজে পাব!’ তার পর উঠে দাঁড়ালাম, সকলের উদ্দেশে দু’হাত জোড় করে আমি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মুদ্রায় মাথা নোয়ালাম। আর আশ্চর্য সোমার দেখাদেখি আর সকলে উঠে দাঁড়িয়ে আমাকে প্রতি নমস্কার জানাল।

তার পর ক্ষণিক নৈঃশব্দ্য যাপনের পর সুব্রত বলল, ‘আর-একটা বিষয়ে আমার কথা বলার ছিল, বিষয়টা বলি!’ আমি বললাম, ‘আজ থাক। খুব ক্লান্ত লাগছে। তোমরা বরং সুবিধে মতো একটা দিন ঠিক করে, আমাকে জানিয়ে দিও!’ সোমা জানতে চাইল, ‘বিষয়টা অন্তত শুনি!’ আমি বললাম, ‘চল! যেতে যেতে বলছি।’

‘তা হলে নেক্সট আলোচনার বিষয়’ বলল সুব্রত, ‘রুট ক্যজ অফ সিন আর বয়েজ স্কুলে সেমিনার অন রেপ—’

আমার সংযোজন, ‘টেবল ওয়ার্ক করলে ভালো হয়!’

তার পরই সুব্রত বলে উঠল, ‘ওভার!’

উপন্যাসের বাকি অংশগুলি পড়তে ক্লিক করুন:

সম্বুদ্ধজাতিকা (১ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (২য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৩য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৪র্থ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৫ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (ষষ্ঠ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৭ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৮ম অংশ)

সম্বুদ্ধজাতিকা (৯ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (১০ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (একাদশ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১২)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৩)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৪)

ক্রমশ…

ছবি ইন্টারনেট

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *