সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১২)

সুরঞ্জন প্রামাণিক

সূর্য ও আদিপাপের উত্তরাধিকার

পরের দিনই আমি বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম সূর্য-বিষয়ে। বাবা বললেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা সূর্যকে দেবতা মানতেন— ফসলের দেবতা…’  কী ভেবে যেন অনুতপ্ত হয়ে বললেন, ‘চাষ ছেড়েছি, বিশ্বাসটা ছাড়তে পারিনি, তাই!’

আমি বললাম, ‘বাবা, চাষ ছেড়েছ, এটা অবশ্যই আপশোসের কথা কিন্তু সূর্যকে তো ছাড়নি! বিশ্বাসটা কিন্তু খুবই সুন্দর। মানে তুমি বিজ্ঞান আঁকড়ে আছ! সূর্যই একমাত্র দেবতা— অকাতরে প্রাণশক্তি দিয়ে যাচ্ছেন!’

বাবার ঘোলাটে চোখ দু’টো দেখে মনে হল তাঁর মন কোন সুদূর সফরে বেরিয়েছে। কিছু মনে করার চেষ্টা করছেন। এক সময় ‘প্রাণশক্তি’ শব্দটা কেমন এক ঘোরের মধ্যে উচ্চারণ করলেন তার পর শব্দ খুঁজে খুঁজে আকার-ইঙ্গিতে যা বললেন, দেহভাষা বাদে তা সাজিয়ে নিয়ে বলছি, পুরোটাই বাবার কথা, কথাগুলো সাজিয়েছি আমি বা বলতে পারো তাঁর কথা ও ভাবের অনুবাদ করেছি আমি—

প্রাণশক্তি, তেজ ছড়িয়ে আছে জল-বাতাসে; এই তেজ ধারণ করে মাটিমা গর্ভবতী হন— এই যে গাছপালা— ঘাস থেকে বৃক্ষ-লতা সবই সূর্য আর মাটির সন্তান! মাটি আর বৃক্ষশক্তি থেকে কীটপতঙ্গ, পশুপাখি, মানুষ— এ সবের জন্ম!

আরও পড়ুন: গাছের মতো বাদলকাকা

আমাদের কোনও এক পূর্বপুরুষের স্ত্রী এক জন মৃতপ্রায় মানুষকে অল্প অল্প খেতে দিয়ে বাঁচিয়ে তুলেছিলেন আর সেই বছর দারুণ ফসল ফলেছিল। সেই তখনকার ‘দিদিমা’ ফসলের ক্ষেতে দাঁড়িয়ে ‘দাদু’কে বলেছিলেন, ‘আমাদের খাবারের অংশ থেকে সেই যে আমরা একটা মানুষকে বাঁচিয়েছিলাম, এ তার প্রতিদান! কত গুণে ফিরে এসেছে, দেখ!’

‘কে দিল এমন প্রতিদান?’

আমাদের সেই দিদিমা তখন দিগন্তের দিকে নেমে যাওয়া সূর্যকে দেখিয়ে প্রণামমুদ্রায় বললেন, ‘ওঁ!’ দাদু শুনলেন ‘ওম!’ তিনিও অস্তমিত সূর্যকে প্রণাম করলেন বিস্ময়ে। সূর্য দিগন্তে বিলীন হলে পর, দাদু দিদার মুখের দিকে তাকালেন, তাঁর বিস্ময় ফিরে এলো। দিদার মুখখানা যেন সূর্য হয়ে আছে! তখনকার প্রথা অনুসারে দাদু-দিদা সেই ফসলের ক্ষেতে ফসল বৃদ্ধির কামনায় সঙ্গম করলেন!

সেই থেকে সকাল-সন্ধেয় আমাদের সূর্যপ্রণাম! আর ফসলের বাড়তি অংশ রেখে দেওয়া হয় ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য, কুকুর বিড়ালের জন্য, পাখির জন্য!

তাঁর কথা শেষ হলেও আমার মনে হল, এখনও শেষ হয়নি, জিজ্ঞেস করলাম, ‘তার পর?’ এবারও তিনি মনে করে করে হাত নেড়ে নানা মুদ্রায় বললেন, আমার ভাষায় তা এ রকম—

তার পর আমাদের বংশে আর এক জন, তিনি এই সত্য উপলব্ধি করেন যে, যা কিছু চাষি উৎপন্ন করে সবই সূর্যের দান— মানুষের জন্য! তার মানে হল চাষিমানুষ সূর্যের দেওয়া প্রাণশক্তি আর সব মানুষের হাতে তুলে দেয়— চাষি তার নিজের মধ্যে দেবত্ব অনুভব করুক! এই ছিল সেই মানুষটার চাওয়া।

এর পর আমাকে আর বলতে হল না, তার পর? বাবা ভাবনা গুটিয়ে বললেন, ‘আমরা লাঙলপুজো করেছি, গরুপুজো করেছি কিন্তু কে জানে কেন আমরা দেবতা হয়ে উঠিনি! চাষিকে কেউ পুজো করেনি। শুনেছি, জনকরাজা চাষি ছিলেন, ভগবান বুদ্ধের বাবাও হাল ধরতেন…’

আমি বললাম, ‘না বাবা, বুদ্ধের বাবা চাষি ছিলেন না, ছিলেন জমিদার, তখনকার ভাষায় রাজা, ক্ষেতমজুর দিয়ে চাষ করাতেন— তেমনই লেখা আছে বইতে— হালপুজোর দিন রাজা নিয়ম রক্ষায় নাঙল ধরতেন— ফসলের ক্ষেতে কাজ করা গরু-মানুষের কষ্ট আর কীটপতঙ্গের মরণ দেখে বুদ্ধ নাকি তাঁর বাবাকে কৃষিকাজ থেকে বিরত হতে বলেছিলেন!’

আরও পড়ুন: আবার সত্যি ভূতের গল্প

বাবা বললেন, ‘বইতে পড়েছিস তো! ওটা ঠিক কথা না।’ তিনি ঠিক কথাটি যেন জানেন, বলতে চান; কিন্তু খুঁজে পাচ্ছেন না, বললেন, ‘কথাটার অন্য মানে থাকতে পারে— ভেবে দেখিস তো আমরা জমির মালিক হলাম কী করে!’ এক জন খরিদ্দারকে অ্যাটেনড করে বাবা বললেন, ‘যাই হোক, আমরা জমির মালিক হলাম, খণ্ড জমির মালিক কিন্তু দেবতা হতে পারলাম না!’ দেবতা সম্পর্কে আমার একটা ধোঁয়াশা আছে। দেবতা-জ্ঞানে যে সব প্রতিমা পূজা করা হয় পার্থিব সুখশান্তি পাওয়ার আশায় সে-সবে আমার কোনও বিশ্বাস নেই— প্রতিমা আমাকে কিছু দিতে পারে বলেও মনে হয় না কিন্তু বাবার ‘দেবতা হতে পারলাম না’ কথাটায় কৌতূহল জাগল। মানে দেবতা অলীক কোনও বিষয় নয়! মানুষই দেবতা হতে পারে? এ রকম কথা অবশ্য শুনেছি, (তুমিও শুনে থাকতে পারো) আর সেই কারণেই দেব-প্রতিমা মানুষের মতো! ধোঁয়াশাটা কেটে যাচ্ছে— আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কেন পারোনি বাবা?’

বাবা যেন জানতেন এমন প্রশ্ন উঠবে, জবাব তৈরি ছিল, সূর্যের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, ‘তাঁর দান আমরা কুক্ষিগত করেছি, ধানবান হয়েছি, অকাতরে মানুষকে দিতে না পারলে মানুষ আর কীভাবে দেবতা হবে! দিতে দিতেই তো মানুষ এক সময় দেবতা হয়েছে!’ একটু থেমে, কী যেন ভেবে বললেন, ‘তাঁর দান আমরা কুক্ষিগত করেছি— কথাটা-কিন্তু আমার না, ঠাকুরদার ঠাকুরদা বলেছিলেন— এটা আমাদের  আদি পাপ! মানুষকে বঞ্চনা করার— সেই শুরু!’

দেবতা সম্বন্ধে আমার ধারণা স্ফটিক-স্বচ্ছ হয়ে উঠল! সাবলীল ভাবতে পারলাম, অকাতরে দিতে দিতে মানুষই দেবতা হয়ে ওঠে, উঠেছিল একদিন। আর সেই পাপের ছোঁয়ায় দেবতা প্রতিমা হয়ে গেছে। আমি বলে উঠলাম, ‘সেই পাপের সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মানুষের আজ এই অবস্থা— দেবতা নেই, দেবপ্রতিমা আছে!’

বাবা সায় দিলেন, ‘সব চেয়ে খারাপ অবস্থা চাষির—’ খেয়াল করলাম, বাবা তাঁর পায়ে হাত বোলাচ্ছেন। আমার মনে হল, তিনি লং মার্চের ছবি দেখছেন, এক সময় বললেন, ‘এর থেকে কবে যে মুক্ত হবে মানুষ!’

আরও পড়ুন: শাক তোলার গান

‘তার মানে’ বললাম আমি, ‘তুমি বলছ, এর থেকে মানুষ মুক্ত হতে পারে!’

বাবা বললেন, ‘আমি বলছি না, কৃষক রাজা হলে সব মানুষ নাকি আদি পাপ থেকে রেহাই পাবে— কথাটা তোর মায়ের মুখে শুনেছি, তোর মা বিশ্বাস করে!’

‘তুমিও তো বিশ্বাস করো তা হলে!’

‘হ্যাঁ, চাষিদের মিছিল দেখে, সমাবেশ দেখে মনে হয় সত্যি হবে একদিন!’

মানে মুক্তি— ভাবনা এলো, আদি পাপ থেকে মুক্তি! দুঃখনিবৃত্তির পথ দেখিয়েছেন বুদ্ধদেব। আদি পাপ থেকে মুক্তির পথ কী?

বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম। বাবা বললেন, ‘ওই যে বললাম, যদি দেশে কৃষকরাজ আসে!’ তখনও বাবা পায়ে হাত বোলাচ্ছেন। আমার মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ‘আদিপাপ’— আমি বাবাকে প্রণাম করলাম। বাবা আমার মাথায় হাত রাখলেন।

কথাটা মাথার মধ্যে ঘুরছে বটে কিন্তু ভাবতে গিয়ে দেখলাম, পাপ সম্বন্ধে সাজানো-গোছানো কোনও ধারণা আমার নেই। আবছা মনে পড়ছে, কে যেন বলেছিল, কথাটা সাজালে এ রকম হয়, যে কাজ করার ফলে মানুষের মন ‘ঠিক করিনি’-বোধে আচ্ছন্ন হয়, তা-ই পাপ। এর সঙ্গে আমার পূর্বপুরুষের পাপবোধ মিলে যাচ্ছে। সেই পাপে আমরা, আমাদের কৃষকসমাজ আজও আচ্ছন্ন হয়ে আছি! বাবা বিশ্বাস করেন  আদি পাপ থেকে মানুষকে মুক্তি দেবে কৃষকরাজ! এই বিশ্বাস তিনি পেয়েছেন তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে। আমার মা কোথা থেকে পেলেন এই বিশ্বাস? বাবা বলেছিলেন, ‘এই বিশ্বাসটা নাকি তোর মামাদের বংশে জন্মেছিল।’ সেই গল্পটা জানার জন্য বাবার কোনও কৌতূহল জাগেনি। কিন্তু আমার খুব জানতে ইচ্ছে করল। আমি মামাবাড়ি যাবার কথা ভাবলাম। তার আগে মাকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপারটা।

মা যা বললেন তা সাজিয়ে-গুছিয়ে বললে গল্পটা দাঁড়ায় এ রকম—

মা তখন সেভেন কি এইটে পড়েন। বাড়িতে তখন প্রায়ই বাইরে থেকে ছেলেরা আসত। দু-এক দিন থেকে চলে যেত। কেউ কেউ ফিরেও আসত। তারা কী সব কথা বলত। রাতের দিকে কথাগুলো মা স্পষ্ট শুনতে পেত। একবার আলোচনায় তাঁর জানা একটা বিষয় উল্লেখ হল, তাজমহল— সেখানে যা বলা হল, তার মোদ্দা মানে দাঁড়ায়, তাজমহল করেছে কৃষকেরা। মা জানত, তাজমহল শাহজাহানের করা। কৃষকেরা যদি করেই থাকে, তা বইতে লেখা নেই কেন? এই প্রশ্নটা মা তার দাদাকে করেছিল। দাদা তাকে লিফলেট-মতো কিছু একটা দিয়ে বলেছিল, ‘এটা পড়!’ সেখানেও ‘তাজমহল’ ছিল। সেই লেখার কথা আজ আর হুবহু মনে থাকার কথা নয়। তবু মনে করে করে যা বলল তার মানে দাঁড়ায়, আমাদের সব সংস্কৃতি এসেছে কৃষকের কাছ থেকে। কৃষকই স্রষ্টা। গরিব, জমি না-থাকা কৃষক-কারিগর মিলে এই সব সৃষ্টি করেছেন, এই সভ্যতা! মামার বন্ধুদের একজনের কাছে মা ব্যাপারটা জানতে চাওয়ায় সে তার অনেক কথা শেষ করেছিল এই বলে, ‘ইনফ্যাক্ট তোমরাই, মানে চাষিরা আমাদের সৃষ্টি করেছ!’ মা তখন কথাটার মাথামুণ্ডু বোঝেনি। তার ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা দেখে ছেলেটি বলেছিল, ‘মানে কৃষক আমাদের অন্নদাতা!’ সেখানে আমার দাদু ছিলেন, ছেলেটির কথার বিরোধিতা করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা দাতা না বাবা, বিক্রেতা— চাল ডাল সবজি বিক্রি করি ফড়ের কাছে, দান করি না! তোমরা বাজার থেকে কেনো। এতে চাষির কোনও মহত্ব নেই বাবা! আমরা অধঃপতিত এক জাতি! তা যদি না হবে, এত অভাব কেন চাষির ঘরে?’ তখন সেই ছেলেটি নাকি নিজের মনেই ‘আদি পাপ’ কথাটা বলে বলেছিল, ‘একই পাপে আমরা সকলেই ভুগছি!’ দাদু বলেছিলেন, ‘তা হবে! কিন্তু এ পাপ থেকে চাষিদের কি মুক্তি নেই?’ ছেলেটি নাকি তখন কেমন এক ঘোরের মধ্যে বলেছিল, ‘মুক্তির পথ আমরা খুঁজছি— আপনারাই রাজ্যপাট চালাবেন একদিন! সে দিন আর দূরে নয়!’

আরও পড়ুন: মাটি-জল-মুক্তামাছ

আমার দাদুও স্বপ্নের ঘোরে বলে উঠলেন, ‘তার মানে পাপ থেকে রেহাই মিলবে!’ আরও গভীর প্রত্যয়ে ছেলেটি বলেছিল, ‘হ্যাঁ, আদি পাপ থেকে মুক্তি!’

সে দিন বলার পর মা অনেক ক্ষণ চুপ করে থেকে, কী ভেবে বলেছিলেন, ‘কত কথাই না মনে পড়ে গেল! এই গল্পই তোর বাবাকে বলেছিলাম। আবছা মনে থাকার আর-একটা কারণ আছে— এই ছেলেটির সঙ্গে কেমন এক সহজ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, আমার নাম ধরে ডাকত, কী ভালো যে লাগত ডাকটা! তুই বলত। ছোট ছোট কাজ করে দিতাম, পেনে কালি পুরে দেওয়া, জামা কেচে দেওয়া… একবার যাওয়ার আগে একটা জামায় বোতাম লাগাতে দিয়েছিল কিন্তু যাওয়ার সময়, তখনও লাগানো হয়নি, সে বলল, কাজে ফাঁকি দিয়েছিস! বকা যে এত সুন্দর হয়!… বলে গেল, লাগিয়ে রাখিস, আবার তো আসতে হবে, তখন নেব! তার পর, কতদিন হয়ে গেল, সে আর এল না! তার পর শুরু হল অপেক্ষা, কথাগুলো মনে পড়ত… আমার বিয়ের আগে আগে দাদাকে জামাটা দেখিয়ে বললাম, সেই দাদাটা তো আর এলো না! সে-দিনই জানতে পারলাম, পুলিশ তাকে মেরে ফেলেছে…’ মার গলাটা একটু যেন কেঁপে গেল। আর আমি ভাবলাম, তার মানে আদি পাপ থেকে রেহাই খোঁজার পথে মৃত্যু আছে!

মায়ের বিশ্বাস বাবাতে বর্তেছে— এঁদের দু’জনেরই বিশ্বাস এসেছে নকশালবাড়ি-কৃষক আন্দোলন থেকে… পূর্বপুরুষ-কৃত পাপ থেকে রেহাই মিলতে পারে! যদি কৃষকরাজ… আমি সূর্যের দিকে তাকালাম। মানুষকে দেওয়া সূর্যের দান— আমাদের কোনও এক পূর্বপুরুষ তা মেরে দেওয়া শুরু করেছিল! মানে বঞ্চনা— বঞ্চনাই তবে আদি পাপ? আচমকা মনে হালকা হওয়ার অনুভূতি এলো। বঞ্চনা যদি আদি পাপ হয়— এই পাপের রুট ক্যজ অবশ্যই আছে, কী? এই জিজ্ঞাসা আমার মধ্যে এক শিহরণ জাগিয়ে দিল।

তার পর!

তার পর— খুব সাবলীল ভাবতে পারলাম, ধরা যাক আমারই কোনও ‘প্রপিতামহ’ তাঁর উৎপন্ন, ধরা যাক ‘ধান’ নিজের জন্য সরিয়ে রেখেছিলেন, মানে কাউকে যথাযথ দেওয়া হয়নি। এই সরিয়ে রাখার কারণকে আমার প্রকৃত কারণ বলে মনে হল। আর আমি রুদ্রকে এসএমএস পাঠালাম, পথ হাঁটতে হাঁটতে থমকে গেছি। পাপ বিষয়ে জরুরি আলোচনা চাই! বসার ব্যবস্থা করো!

ক্রমশ…

উপন্যাসের বাকি অংশগুলি পড়তে ক্লিক করুন:

সম্বুদ্ধজাতিকা (১ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (২য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৩য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৪র্থ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৫ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (ষষ্ঠ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৭ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৮ম অংশ)

সম্বুদ্ধজাতিকা (৯ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (১০ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (একাদশ অংশ)

ছবি ইন্টারনেট

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *