Latest News

Popular Posts

সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৯)

সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৯)

সুরঞ্জন প্রামাণিক

সৃষ্টি বিষয়ক একটি দার্শনিক প্রত্যয়

দাদার বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র দেওয়ার জন্য কল্যাণ-রুদ্র-সুব্রত-সত্যব্রতদের বাড়ি যাওয়া হল। সায়নদের বাড়িতে আরও একবার যেতে হয়েছে। ফোনে জেনে নিয়েছিলাম কোথায় কার বাড়ি। সত্যব্রতকে ফোন করতেই একটা গল্প শুরু হয়ে গেল। সত্যব্রত বলল, ‘কী আশ্চর্য! আমি তোমাকে ফোন করতে যাচ্ছি ঠিক তখনই স্ক্রিনে ফুটে উঠলে তুমি।’ আমি মজা করে বললাম, ‘তাই! এই ঘটনার কার্যকারণ তুমি কী দেখাবে সত্যদা, টেলিপ্যাথি?’

সত্যব্রত বলল, ‘সিরিয়াসলি, বেশ কিছুদিন ধরে তোমার কথা ভাবছিলাম, মানে কৃষকমুক্তির ব্যাপারটা— একটা ফিলোসফিকাল অ্যাসপেক্ট থেকে, এটা তোমাকে বলব বলে— ‘কথাটা আমার মধ্যে একটা উদ্দীপনা ছড়াল।’

বললাম, ‘খুব ভালো খবর। আমিও ভাবছিলাম— তোমার বাড়ি যাব। কীভাবে যাব বলো তো! তা হলে আজই আমাদের দেখা হবে।’    

সত্যব্রত বলল, ‘এতটা দূর তুমি আসবে বরং আমিই যাই, তোমাদের স্টেশনেই দেখা হোক!’

‘কিন্তু আমার ইচ্ছে করছে, তোমাদের বাড়িটা দেখি।’

‘ঠিক আছে’ বলে সে কীভাবে যাব জানিয়ে দিল। সত্যব্রত আমাদের পরের স্টেশনের কাছাকাছি কোথাও থাকে। স্টেশন থেকে হাঁটাপথে মিনিট দশেক লাগল। আমাকে নিতে সত্যব্রত স্টেশনে এসেছিল। কথা বলতে বলতে ওর বাড়িতে পৌঁছে গেলাম। তখন পাঁচটা পঁচিশ। বাবা, পিসি আর বোনের সঙ্গে আলাপ হল। ওর বাবাকে কেমন গম্ভীর আর বিষণ্ণ বলে মনে হল। অথচ মানুষটা ক্লিন শেভড। খুবই সাদামাটা পাকা বাড়ি। এক তলা। তবে সকলেরই ঘর আছে। বসার ঘরটা অপেক্ষাকৃত নতুন। রুচিসম্মত। একটা বইয়ের র‍্যাক। একটা ক্যালেন্ডার ছাড়া কোনও ছবি নেই। একটা ওন্ড মডেলের টিভি সেট। একটা সেন্টার টেবিল ঘিরে চারখানা পিভিসির চেয়ার। আমরা মুখোমুখি বসেছি। মনে হল অনেকক্ষণ বসে আছি। কল্যাণ রুদ্র সুব্রতকে যেমন বলেছিলাম, ‘শেষপর্যন্ত সিদ্ধান্ত চেঞ্জ করতে হল, আমার বিয়ে’ বলে দাদার বিয়ের কার্ডখানা প্রত্যেকের হাতে ধরিয়েছিলাম। এখানে সেই মজাটা করতে পারলাম না। সাইডব্যাগ থেকে কার্ডখানা বের করে বললাম, ‘দাদার বিয়ে।’ কার্ডখানা বাড়িয়ে ধরলাম, ‘তোমাদের সকলের নিমন্ত্রণ।’ কার্ড নিয়ে পড়ার পর সে চোখ তুলে তাকাল, চোখে জিজ্ঞাসা বললাম, ‘হ্যাঁ, বিবাহ-বিষয়ক একটি আলোচনা সভা হবে।’ সত্যব্রত বলল, ‘যাব, বোনকে নিয়ে যাব, বাবা-পিসির যাওয়ার প্রশ্নই নেই। হঠাৎ খেয়াল হল, মা অনুপস্থিত। কৌতূহল জাগল। শুধু বললাম, ‘মা?’

আরও পড়ুন: আদিবাসী জনজীবন ও পশুপাখি

সত্যব্রত বলল, ‘মা নেই।’

‘ওঃ! স‍্যরি!’

‘নেই মানে তিনি আমাদের সঙ্গে থাকেন না। এটা আর দুঃখের ব্যাপার নেই। হার্ড রিয়েলিটি।’ যেন আমার কৌতূহল বুঝতে পেরে বলল, ‘আমার মা বাবাকে ছেড়ে আর একটা বিয়ে করেছেন।’

আমার কামসূত্র মনে পড়ল। আরও জানতে ইচ্ছে করছিল। মনে হল, নীহারিকার মতো সত্যব্রতর মাও একখানা ‘কেস’ বটে— স্টাডির বিষয়।

‘এই রিয়েলিটির কথা বলতে আমার আর লজ্জা করে না তবে আমি নিজের কাছেই কেমন যেন লজ্জার বিষয় হয়ে উঠেছি।’

‘কেন, লজ্জার বিষয় কেন?’

‘প্রেমিক হতে চেয়েছিলাম না! এই হতে চাওয়াটাই আমার কাছে এখন লজ্জার।’

আমার মুখে কোনও কথা ফুটল না।

সত্যব্রত বলল, ‘বাদ দাও! কাম টু দ্য টপিক!’

আমি বলে উঠলাম, ‘কৃষক মুক্তি।’

‘মানে শোষণ-নিপীড়নমুক্ত কৃষকসমাজ— এটা হল, দর্শনের ভাষায়, সৃষ্টি। যদি এ রকম ধরা হয়, তুমি জানো, যে কোনও সৃষ্টির পেছনে চারটি কারণ ক্রিয়াশীল থাকে, কৃষকসমাজ সৃষ্টির ক্ষেত্রেও তা-ই থাকবে!’

(তুমি নিশ্চয়ই জানো বন্ধু, কত পুরনো জ্ঞান! তবু বলি, মানে মনে করিয়ে দিই যে, সৃষ্টি মানেই সদর্থক ঘটনা আর ঘটনা মানে কার্যকারণের পরিণাম, যদি তা ন্যায়শাসিত না হয়, তা হলে ঘটনাটি অসদর্থক হবে, মানে মানুষের অকল্যাণের কারণ হবে। একটি ঘটনায় অন্তত চারটি কারণ থাকবে। আমাদের পাঠ্যবইয়ে একটা সহজ উদাহরণ ছিল, সেটাই বলি, যেমন— ঘট। ঘট মাটি দিয়ে তৈরি, মানে ঘটের উপাদান হল মাটি; অর্থাৎ মাটি হল ঘট-ঘটনাটির উপাদান-কারণ; দুই, ঘট-ঘটনাটি ঘটিয়েছেন কুমোর, কুমোর এই ঘটনার নিমিত্ত কারণ; তিন, রূপ-কারণ— মাটি ঘটে রূপ পেয়েছে কুমোরের হাত ও ঘূর্ণন চক্রের মাধ্যমে; চার, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ঘট তৈরি হয়েছে, সেটা হচ্ছে উদ্দেশ্য-কারণ)।

আমি সায় দিলে সত্যব্রত বলল, ‘তো সে দিন, সুব্রতর কথাটা আমার ভালো লাগেনি— ইনফ্যাক্ট নকশাল সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না, কিন্তু কোনও কাজে নেমে কেউ যদি সফল না হয়, তা হলে তার সমস্ত এফোরটটাই যে মর্যাদা শূন্য হয়ে গেল, তা তো নয়! আর যে উপযোগ থেকে কাজটা শুরু হয়েছিল তা আর প্রাসঙ্গিক থাকছে না, এই মনোভাবও আমার ঠিক মনে হয়নি। তাৎক্ষণিকভাবে আমি বলেছিলাম, কৃষকের মুক্তি কৃষকই আনবে— এ রকম কিছু। মনে আছে তোমার ?’

আমি বললাম, ‘হ্যাঁ, তুমি বলেছিলে মহাকারণ থেকে কৃষককে মুক্ত করতে হবে…’

‘হ্যাঁ, আর তখন থেকেই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছি, আমাদের উদ্দেশ্য কারণ…’

যেন আমাকে জিজ্ঞেস করল, বললাম, ‘কৃষকের মুক্তি!’

‘তা হলে নিমিত্ত-কারণ আর রূপ-কারণ কৃষক নিজেই, এর মানে মুক্তিটা তাঁকেই আনতে হবে।’

‘হ্যাঁ, যুক্তি তো তা-ই বলে! তা হলে বাকি রইল, উপাদান-কারণ— সেটা কী ?’

‘ধরে নাও ইংরেজি বর্ণ ‘এস’ হল উপাদান কারণ, ‘এস’ ফর সোসাইটি— এই চার কারণ একত্রে মিলে যে ঘটনাটি ঘটাবে তা হল শোষণ-নিপীড়নমুক্ত কৃষকসমাজ’…

আমি খুব দ্রুত চিন্তা করতে পারলাম, ঘটের মধ্যে মাটি আছে। মানে, সৃষ্টির মধ্যে উপাদান কারণ নিহিত থাকে, এই সত্য মুক্ত কৃষকসমাজে ও থাকবে— বললাম, তা হলে উপাদান-কারণ কৃষকসমাজ ছাড়া আর কী হতে পারে।’

‘হ্যাঁ, আমারও তা-ই মনে হয়েছে, মানে উপাদান-কারণও কৃষক।’ সফলতার তৃপ্তি যেন সত্যব্রতর মুখের রং বদলে দিয়েছে, সেই রঙ রং আমাকেও ছুঁয়ে আছে, আমি ওর মুখের দিকে প্রায় অপলকে তাকিয়েছিলাম…

আরও পড়ুন: মেয়েরা যা বলতে পারেনি

সত্যব্রতর বোন তখন ঘরে ঢোকার আগে গলায় আওয়াজ তুলে যেন জানান দিল। চায়ের ট্রে রাখতেই তাকে বসতে বললাম। সে বসল। সত্যব্রতকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী যেন ওর নাম বলেছিলে?’ মেয়েটি বলল, ‘আমার নাম রাকা।’ আমি বললাম, ‘বাঃ! সুন্দর নাম! আমি বিনতা।’ রাকা-শব্দটা আমার মাথার মধ্যে জায়গা করে নিল। আমি সত্যব্রতকে বললাম, ‘রাকা কি আমার সম্পর্কে কিছু জানে?’ রাকাই উত্তর দিল, ‘আমি তোমাকে চিনি, যে স্কুলে আমি পড়তাম, সেখানে তুমি লেকচার দিয়েছ, আমি শুনেছি। আমি একটু অবাক হয়েই বললাম, ‘তাই! আর?’ সে বলল, ‘তোমাকে অনেকেই চেনে, তুমি নাকি মেয়েদের দুর্দশা নিয়ে গবেষণা করছ, শুনেছি।’ আমি একবার সত্যব্রতর দিকে চাউনি ছুড়ে বললাম, ‘গবেষণা বলা যাবে না। তবে ভাবছি, কাজ করছি— একা নয়-কিন্তু, অনেকে মিলে, তোমার দাদাও আছেন।’ কী ভেবে রাকা বলল, ‘ব্যাপারটা কি সহজ মনে হয় তোমার?’ আমি রাকার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বোঝার চেষ্টা করলাম। খুবই ওয়াইজ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটা আমার নিজের মাথায় আসা উচিত ছিল। মাথা নেড়ে বললাম, ‘না। থ্যাঙ্কু! ভাবনার বিষয়। ভাববো। তোমার কী মনে হয়, যদি বলো।’ একটু ভেবে রাকা বলল, ‘ব্যাপারটা-কিন্তু জটিল।’

‘কেন, জটিল কেন?’

‘ধর্ষিত হওয়া বা পাচার হয়ে যাওয়ার মধ্যেই যে কেবল দুর্দশা রয়েছে তা বোধহয় না, এর বাইরে দুর্দশার আরও জায়গা রয়েছে, তার মধ্যে নিজের ভেতরেও থাকতে পারে দুর্দশার কারণ— সবমিলিয়ে জটিল মনে হয়।’

‘বাঃ! খুব ভালো বলেছ। তুমি কি জানো ভেতরের দুর্দশার কারণ? না, এখনই বলতে হবে না। তুমি ভাবো। আমাদের বন্ধু হও, ভাবো!’

‘হ্যাঁ ভাবব’ বলে চায়ের কাপ ট্রে নিয়ে রাকা চলে যেতে উদ্যত হলে আমি বললাম, ‘শোনো। আমার দাদার বিয়ে নিমন্ত্রণ দিতে এসেছি, সত্যদার সঙ্গে তুমিও যাবে, কেমন!’

রাকা ঘাড় কাত করে চলে গেলে সত্যব্রত বলল, ‘নারীমুক্তির ব্যাপারটাও কৃষকমুক্তির মতো করে ভাবা যায়।’

একটু ভেবে বললাম, ‘তা যায়। কিন্তু সত্যদা— সম্ভাব্য ঘটনা, ঘটাবে কৃষক বা নারী— মানে এরা নিমিত্ত-কারণ, ঘটক।’

আমার ভাবনায় আবারও ‘ঘট’ এলো। সত্যব্রতকে ঘট-ঘটনা সবিস্তারে বলে বললাম, ‘দেখ, মাটিকে তো ছেনতে হয়েছে, সেটা না হয় কুম্ভকার বা তাঁর সহযোগী কেউ করেছেন, ছেনার জন্য জল প্রয়োজন— তা হলে জলও উপাদান-কারণ হয়ে গেল, তাই না?’

‘এটা তো ভাবিনি! হ্যাঁ, জল অন্যতম উপাদান-কারণ…’

‘এইখানে, আমাদের কৃষকমুক্তির ক্ষেত্রে আমরা বলছি, উপাদান-কারণ সমাজ, মানে অনেক রকম মানুষের সমবায়; প্রত্যেক সদস্যকে যদি মাটির অণুর সঙ্গে তুলনা করা হয় তা হলে এদের মোল্ড করবে যে উপাদান-কারণ তা ‘জল’-এর সঙ্গে তুলনীয় হবে!’

‘একদম!’

‘সেটা কী?― ভাবতে হবে।’

সত্যব্রত অন্যমনস্কভাবে যেন কথা দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল, ‘আমি চেষ্টা করব।’

সত্যব্রত স্টেশন পর্যন্ত আমার সঙ্গে এসেছিল। ওর জন্য একটা কষ্ট হচ্ছিল। সত্যদার ‘নিজের কাছেই লজ্জার বিষয় হয়ে থাকা’-ব্যাপারটা আমার মধ্যে কেমন এক করুণার উদ্রেক করল। (তুমি বিশ্বাস করবে না, জানি না, ‘প্রেম’ সম্পর্কে আমার কংক্রিট ধারণা নেই, আমি বোধহয় বলেওছি আগে, তবু প্রেমিক হতে চাওয়া যে লজ্জার বিষয় হতে পারে এটা ভাবতে আমার ভালো লাগছে না।) আমি বললাম, ‘তোমার একটা কথা, প্রেমিক হতে চাওয়ার লজ্জা, কেমন যেন অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে আমাকে, লজ্জা মনে হয়েছে কেন তোমার?’

আরও পড়ুন: নৌকাডুবি ও নেতো-পদ্মার অন্যান্য কৌশল

‘বুঝিয়ে বলতে পারব না। ঘটনা হল, আমার মা-বাবার বিয়েটা তথাকথিত প্রেমের বিয়ে ছিল। বারো বছরে দু’টো সন্তানের জন্ম দিয়ে, আমার অনুমান, মায়ের অনুভবে বাবার প্রেম তখন ফুরিয়ে গেছে, আর এক পুরুষের প্রেমে পড়লেন মা এবং আমাদের রেখে তিনি চলে গেলেন। রাকার বয়েস তখন ছয়। বোধ হয় রক্তের দোষে আমার মধ্যে ‘প্রেম’ জেগেছিল। ভাগ্যিস তুমি মাইনর এজের ছিলে না! তা হলে বাবার মতো হয়তো তোমাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যেতাম— তারপর আমাদের প্রেম ফুরিয়ে যেত…’

‘প্লিজ সত্যদা! এ রকম ভেবো না। আমি কিন্তু তোমাকে, তোমাদের কাউকেই প্রত্যাখ্যান করিনি।’

‘এই ভাবনা কিন্তু তোমাকে জড়িয়ে নয়, তুমি না হয়ে অন্য কেউ যদি হত, এবং শেষপর্যন্ত বাবার মতো… এটা ভাবলেই আমার লজ্জা হয়।’

তখন আমার মাথার মধ্যে ভীষণ কথার কাটাকুটি চলছিল… প্ল্যাটফর্মে পা রেখেই বললাম, কিন্তু সত্যদা, সেই সময় তুমি, তোমরা যদি আমার কোট আনকোট প্রেমিক না হতে তা হলে আমি কি আজ এই ‘আমি’ হতাম, তোমরা আমার বন্ধু হতে?’

ক্রমশ…

উপন্যাসের বাকি অংশ পড়তে ক্লিক করুন:

সম্বুদ্ধজাতিকা (১ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (২য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৩য় অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৪র্থ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৫ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (ষষ্ঠ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৭ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (৮ম অংশ)

সম্বুদ্ধজাতিকা (৯ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (১০ম অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (একাদশ অংশ)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১২)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৩)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৪)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৫)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৬)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৭)
সমুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৮)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ১৯)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২০)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২১)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২২)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৩)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৪)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৫)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৬)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৭)
সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৮)

ছবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *