Latest News

Popular Posts

সিনিয়র ন্যাশনাল উইমেন্স ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ: গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিল বাংলা

সিনিয়র ন্যাশনাল উইমেন্স ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ: গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিল বাংলা

Mysepik Webdesk: একটা সময়ে মহিলা ফুটবলে বাংলার একাধিপত্ব ছিল। তারপর মহিলা ফুটবলে মণিপুরের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাকে তবুও বেশ কয়েকবছর টানা ফাইনালে হারতে দেখা গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলার মহিলা ফুটবল দলকে ফাইনালে খেলতে দেখা যায়নি। আর এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বাংলা দলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা হয়নি। গ্ৰুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। টিম বাংলার এমন ফলাফলের পর অনেক বিশেষজ্ঞই এ-রাজ্যের মহিলা ফুটবলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অশনি সংকেতের আঁচ পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে জন্মানো আজাজ ভারতের বিপক্ষেই নিলেন এক ইনিংসে ১০ উইকেট

শুক্রবার শেষ হয়েছে সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্ব। আটটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। কেরলে ৫ ডিসেম্বর থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতা ২৮ নভেম্বর শুরু হয়েছিল। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৯ ডিসেম্বর৷ মণিপুর এই টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। ২০১৯-২০ এডিশনে তারা পাসিঘাট অরুণাচল প্রদেশে রেলওয়ের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়ের সঙ্গে তাদের ২০তম শিরোপা জিতেছিল৷

২০২১-২২ সংস্করণের আট কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট হল মণিপুর, রেলওয়ে, অসম, গোয়া, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, মিজোরাম এবং তামিলনাড়ু। তারা যথাক্রমে আটটি গ্রুপের (A থেকে H) বিজয়ী।

চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে মণিপুর এবং রেলওয়ে। দ্বিতীয় শেষ আটের ম্যাচে একে-অপরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে রেলওয়ে বনাম গোয়া। তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল রয়েছে মহারাষ্ট্র এবং মিজোরামের মধ্যে। শেষ আটের শেষ ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ওড়িশা এবং তামিলনাড়ু। সেমিফাইনালে Q1 বনাম Q3 এবং Q2 বনাম Q4 বিজয়ীদের মধ্যে হবে।

আরও পড়ুন: ১০ উইকেট আজাজের

এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার হলেন তামিলনাড়ুর সান্ধিয়া রঙ্গনাথন। তিনি গ্রুপ পর্বে ১২টি গোল করেছেন। নিয়মিত জাতীয় দলের খেলোয়াড় এই সান্ধিয়া। তবে ব্রাজিল সফরে যাননি তিনি। এরফলে রাজ্য দলের হয়ে খেলতে পেরেছেন তিনি। শীর্ষ পাঁচ গোলদাতার মধ্যে চারজনই (সন্ধিয়া-সহ) গ্রুপ এইচ থেকে। কারণ দলগুলি তেলেঙ্গানার বিরুদ্ধে প্রচুর গোল করেছে। হরিয়ানার হুইড্রোম রঞ্জিতা দেবী (৯ গোল), নিশা, দীপিকা এবং অসমের সোনিয়া মারাক (প্রত্যেকেই ৭ গোল) শীর্ষ পাঁচে রয়েছেন।

এইচ গ্রুপে ছিল তামিলনাড়ু, পঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলেঙ্গানা। তামিলনাড়ু তিনটি ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ স্টেজে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। তিন ম্যাচের মধ্যে তারা দুটিতে জিতেছে এবং একটি ড্র করেছে। তেলেঙ্গানা এই গ্রুপের ‘পাঞ্চিং ব্যাগ’ ছিল। কারণ, অন্য তিনটি দল তাদের বিরুদ্ধে বড়সড় ব্যবধানে জিতেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হল গ্ৰুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে বাংলা।

এই গ্রুপের ফলাফল:

তামিলনাড়ু ২০-০ তেলেঙ্গানা [মালবিকা এম (৩′, ৪৫+২′, ৮৭′), সন্ধ্যা রঙ্গনাথন (৫′, ২২′, ২৫′, ৬৩′, ৭০′, ৮৮′, ৮৯′, ৯০′), এম সরিতা (১০′, ৫৮′, ৬৫′, ৬৮′), দুর্গা এ (১৫′, ২০′, ৭৯′), প্রিয়দর্শিনী এস (৪৯′), রুদ্ররাপু রাভালি (৭৮′ ওন গোল)]

পঞ্জাব ০-০ পশ্চিমবঙ্গ

তেলেঙ্গানা ০-২১ পঞ্জব [নেহা মান (১১′, ৪০′), নিশা (১৮′, ৪৩′, ৪৫+২′, ৫৭′, ৬১′, ৬৩′, ৮৯′), আশা কুমারী (২০′, ৪৬′, ৬৮′, ৭৪′), দীপিকা (৩৩′, ৩৪′, ৩৯′, ৪৫+১′, ৪৫+৩′, ৫৬′, ৯০+৩), বিনিতা কেরকেটা (৯০+২′)]

পশ্চিমবঙ্গ ১-১ তামিলনাড়ু [সুমিত্রা মারান্ডি (৪৫′); সন্ধ্যা রঙ্গনাথন (২০′)]

তামিলনাড়ু ৬-০ পঞ্জাব [দুর্গা এ (২৫′), কৌসল্য এস (৪৫+২′), সন্ধ্যা রঙ্গনাথন (৫৭′, ৮৪′, ৯০+২′), প্রিয়দর্শিনী S (87′)]

পশ্চিমবঙ্গ ২০-০ তেলেঙ্গানা [হুইড্রোম রঞ্জিতা দেবী (১০′, ২০′, ২৫′, ৩৪′, ৩৯′, ৪৭′, ৫৮′, ৭১′, ৯০+৩′), সুমিলা চানু (১১′, ১৮′, ৫৫′), গীতা দাস (১৩′, ২২′), দুলার মারান্ডি (২৮′), কাজল দাস (৬৮′, ৮৪′), সন্ধ্যা মাইতি (৮৯′, ৯০′)]

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *