আগামীকাল কী জামিন পাবেন মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান

Mysepik Webdesk: শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেফতার করেছে এনসিবি। আপাতত তিনি এনসিবি হেপাজতে রয়েছেন। তাঁকে জেরা করে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোয়াগামী প্রমোদতরীতে মাদক কীভাবে এল? কীভাবে কিনতে হয় এই মাদক? এসব প্রশ্নের উত্তর জেনে কার্যত চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারী আধিকারিকদের। তবে খান পরিবারে স্বস্তির খবর এটাই যে, আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সম্ভবত জামিন পেতে পারেন আরিয়ান খান। কিন্তু জামিন পেলেও এই তদন্ত আরও অনেক দূর পর্যন্ত এগোবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘বন্ধুত্ব’, পোকেমন যাত্রার এক অনন্য শব্দ

ধৃতদের জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, মূলত এই ধরণের ড্রাগ কেনা হত ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে। টাকা দিতে হত ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে। ধৃত শাহরুখ পুত্রের বান্ধবী তথা মডেল মুনমুন ধামেচা স্যানিটারি প্যাড এবং অন্তর্বাসে লুকিয়ে সেই মাদক পৌঁছে দিয়েছিলেন ওই প্রমোদতরীতে। আরিয়ানের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়ার পর জেরার মুখে মুনমুন একথা স্বীকার করেন। তাঁদের জেরা করেই মূলত বলিউডের আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা ড্রাগ মাফিয়াদের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন: মহাকাশে পর্ন শুটিং! এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর সঙ্গে যোগাযোগ করল নাফটি

জেরার মুখে আরিয়ান আরও জানিয়েছেন, দু-একবার তিনি সরাসরি ‘ড্রাগ পেডলার’-দের কাছ থেকে মাদক কিনেছেন। তাছাড়া তিনি ওইদিন মাদক পেয়েছিলেন মুনমুন ধামেচার কাছ থেকেই। জানা গিয়েছে, গোয়াগামী ওই বিলাসবহুল ক্রুসে পার্টি আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। ড্রাগ পাচারের মতো মারাত্মক অপরাধের আরও গভীরে ঢোকার জন্য ইতিমধ্যেই আরিয়ান এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের কাছ থেকে তাঁদের মোবাইল ফোনগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি সব ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই মোবাইলগুলি থেকে আরও অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে বলে মনে করছে এনসিবি।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *