Latest News

Popular Posts

বিধানসভা ভোটে ধরাশায়ী হওয়ার ৬ মাস পরেই বামপন্থীরা উঠে এলো দ্বিতীয় স্থানে, কারণ কী?

বিধানসভা ভোটে ধরাশায়ী হওয়ার ৬ মাস পরেই বামপন্থীরা উঠে এলো দ্বিতীয় স্থানে, কারণ কী?

Mysepik Webdesk: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফলাফলে জমি হারিয়েছিল বামফ্রন্ট। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছিল বিজেপি। কিন্তু, গতকাল কলকাতা পুরভোটের ফলাফলে চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেল। দেখা গেল, ‘শূন্য’ হয় যাওয়া বামেরা বিজেপিকে পেছনে ফেলে উঠে এল দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় স্থানে চলে গিয়েছে বিজেপি। কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৪ টি ওয়ার্ডে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির দখলে এসেছে মাত্র ৩টি আসন। অন্যদিকে বিজেপিকে পেছনে ফেলে ২টি করে আসন পেয়েছে বাম ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুন:৮২নং ওয়ার্ড থেকে জয়ী ফিরহাদ হাকিম

এক্ষেত্রে আসন সংখ্যার নিরিখে বিজেপি দ্বিতীয় হলেও, ভোট শতাংশের নিরিখে বিজেপিকে অনেকটাই পেছনে ফেলে দিয়েছে বামেরা। কলকাতার অনেক ওয়ার্ডে বামেরা ভোট সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ফলাফল বলছে, কলকাতার ৬৬টি আসনে বামেরা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ৪৭টি ওয়ার্ডে এবং কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মোট ১৬টি আসনে। নির্দল প্রার্থীরা দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন ৫টি ওয়ার্ডে।

আরও পড়ুন:করোনা আছে ঠিকই, কিন্তু নাচানাচি তো একটু হবেই: ফিরহাদ হাকিম

১৪৪টি আসনের মধ্যে ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছেন বামফ্রন্টের সিপিআইএম প্রার্থী নন্দিতা রায়। ৯২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেছেন বামফ্রন্টের সিপিআই প্রার্থী মধুছন্দা দেব। ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের সন্তোষ পাঠক ও ১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াসিম আনসারি কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেছেন। কলকাতার প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ওয়ার্ডে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে হয় বাম, নয় কংগ্রেস। পরিসংখ্যান বলছে, ক্রমশ জমি হারাচ্ছে বিজেপি। মনে করা হচ্ছে, করোনাকালে সিপিআইএমের রেড ভলান্টিয়ারদের জনসেবামূলক কাজকর্ম অনেকটাই প্রভাব ফেলেছে এবারের পুরসভার নির্বাচনে। অন্যদিকে, বিরোধী প্রধান বিরোধী দল বিজেপি প্রথম থেকেই ভোটে কারচুপি, সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *