Latest News

Popular Posts

‘কাহানি মে টুইস্ট’ রাজমিস্ত্রীদের ছেড়ে বালির দুই গৃহবধূ ফিরছেন স্বামীর ঘরেই

‘কাহানি মে টুইস্ট’ রাজমিস্ত্রীদের ছেড়ে বালির দুই গৃহবধূ ফিরছেন স্বামীর ঘরেই

Mysepik Webdesk: প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়েছিলেন। কিন্তু, সেই প্রেমিকদের ভুলে গিয়ে ফের বাড়িতে ফিরতে চলেছেন বালির দুই গৃহবধূ রিয়া ও অনন্যা। রিয়া ও অনন্যার স্বামী নাকি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন শ্বশুড়বাড়ির সঙ্গে। এমনটাই দাবি করেছেন গৃহবধূর স্বামী পলাশ কর্মকার। তিনি জানান, রিয়া এবং অনন্যা সুরক্ষিত জায়গাতেই রয়েছেন। শীঘ্রই তাঁরা ঘরে ফিরবেন।

আরও পড়ুন: ১৭ জানুয়ারি ফের গোয়া সফরে যাচ্ছেন অভিষেক

গৃহবধূর স্বামী আরও জানিয়েছেন, তাঁদের স্ত্রীরা তাঁদের জানিয়েছেন, রাজমিস্ত্রীদের কাছে ফিরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা একটা দুঃস্বপ্নের মতোই ছিল। রাজমিস্ত্রীরাই তাদের ভুল বুঝিয়ে, ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। ফলে ওদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদিও দুই রাজমিস্ত্রী শুভজিৎ এবং শেখরের হাত ধরে বালির দুই গৃহবধূ রিয়া এবং অনন্যা পালিয়ে যাওয়ার পর যখন পুলিশের জালে ধরা পড়ে, তখন রিয়া চুপ থাকলেও অনন্যা জোর গলায় বলেছিলেন, “আমি শেখরকে ভালোবাসি। বেশ করেছি প্রেম করেছি।”

আরও পড়ুন: কাদের টেস্ট করানো উচিত আর কাদের নয় – নয়া গাইডলাইন প্রকাশ স্বাস্থ্য দপ্তরের

প্রসঙ্গত, গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে কর্মকার বাড়িতে কাজ শুরু করেছিল দুই রাজমিস্ত্রি। এদিকে মুদি খানার দোকানের কাজ সেরে প্রতিদিনই রাত করে ফিরতেন কর্মকার পরিবারের দুই ছেলে। সেই সুযোগেই দুই গৃহবধূর সঙ্গে পরিণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শেখর ও শুভজিতের। গত ১৫ ডিসেম্বর শীতের পোশাক কিনতে যাওয়ার নামে করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নিশ্চিন্দার কর্মকার বাড়ির দুই গৃহবধূ রিয়া ও অনন্যা কর্মকার। সঙ্গে ছিল রিয়ার সন্তানও। সেই থেকেই তাঁদের আর কোনও হদিস মেলেনি। মোবাইল ছিল সুইচ অফ। এদিকে সন্তান-সহ দুই গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ জানান তাঁদের স্বামী ও পরিবার। তাঁদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, আদৌ নিখোঁজ নয়, বরং নিজেদের ইচ্ছাতাই তাঁরা তাঁদের প্রেমিকদের সঙ্গে মুম্বই পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও মুম্বই থেকে ফেরার সময় আসানসোল স্টেশনে ধরা পড়ে দুই গৃহবধূ ও পেশায় রাজমিস্ত্রি তাঁদের প্রেমিকরা।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *