নাসার নতুন চন্দ্র অভিযানের গুরুদায়িত্বে থাকছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুবাসিনী

Mysepik Webdesk: আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার তত্ত্বাবধানে ফের চাঁদের মাটিতে পা দিতে চলেছেন মহাকাশচারীরা। নাসার নতুন চন্দ্র অভিযান প্রকল্প ‘আর্টেমিস লুনার এক্সপ্লোরেশন’ (Artemis Lunar Exploration)-এর গুরুদায়িত্বে থাকছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী সুবাসিনী আইয়ার (Subasini Iyer)। তিনি এই প্রকল্পে আরও উন্নত এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে গত ২ বছর ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে চাঁদের বহু অজানা তথ্য অনুসন্ধান করা হবে।

আরও পড়ুন: মঙ্গলের পর এবার শুক্রগ্রহ অভিযানে নাসা

নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, আর্টেমিস ১, আর্টেমিস ২ এবং আর্টেমিস ৩, এই তিনটি মিশনের মাধ্যমে চাঁদের মাটি ছোঁবেন মহাকাশচারীরা। প্রথম মিশনে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম ও ওরিয়ন দুটি রকেটকে মহাকাশে পাঠাবে নাসা। দ্বিতীয় মিশনে এই দুটি রকেটের সঙ্গে মহাকাশচারীও পৌঁছবে মহাকাশে। তৃতীয় পর্যায়ে ২০২৪ সালের মধ্যে মহাকাশচারীদের চাঁদে পাঠাবে নাসা। এই তৃতীয় পর্যায়েই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকছেন সুবাসিনী। নাসা জানিয়েছে, স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলসি) ও ওরিয়ন রকেটের মাধ্যমে চাঁদে মহাকাশচারীদের পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে চাঁদের বহু অজানা তথ্য সামনে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন: মঙ্গলের মাটিতে ঘোরাঘুরি করছে চিনা রোভার

চন্দ্র অভিযানে এহেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছসিত সুবাসিনী। তিনি সংবাদমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নাসার তত্ত্বাবধানে আজ থেকে ৫০ বছর আগে শেষবার চাঁদে পা রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা। আবারও চাঁদে পৌঁছনোর জন্য সমস্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে। এই প্রজেক্টের একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে নাসাকে যে কোনও ধরনের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *