কুস্তিগীর হত্যা মামলায় অবশেষে গ্রেপ্তার সুশীল কুমার

Mysepik Webdesk: ছত্রসাল স্টেডিয়ামে জুনিয়র গোল্ড মেডেলিস্ট কুস্তিগীর সাগর রানা হত্যা মামলায় পলাতক অলিম্পিক পদকপ্রাপ্ত সুশীল কুমারকে দিল্লির মুন্ডকা এলাকা থেকেই দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল গ্রেপ্তার করেছে। সুশীলের সঙ্গে তার সঙ্গী অজয়কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সুশীলকে খোঁজ দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা এবং অজয়ের ওপর ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

আরও পড়ুন: বার্সেলোনার প্রাক্তন গোলরক্ষক ফ্রান্সেস আরনাউয়ের মৃত্যু

মঙ্গলবার রোহিণী আদালত সুশীলের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। বিশেষ সেল এখন এই দু’জনকে রোহিণী আদালতে হাজির করবে। এরপরে সুশীল ও অজয়কে উত্তর-পশ্চিম জেলা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হবে। বিশেষ কক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন পরিদর্শক শিব কুমার, পরিদর্শক করমবীর ও এসিপি আতর সিং। স্পেশাল সেল ক্রাইম ব্রাঞ্চ ছাড়াও দিল্লি পুলিশের বেশ কয়েকটি দল পঞ্জাবের বাথিন্ডা, মোহালি সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে অভিযান চালায়। দিল্লিতেও বহু জায়গায় দিল্লি পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল, কিন্তু সুশীলের খোঁজ মেলেনি। এমনকী গতকাল সুশীলকে গ্রেপ্তারের গুজবও ছড়িয়েছিল।

মামলাটি দিল্লির মডেল টাউন এলাকার ছাত্রসাল স্টেডিয়ামের। সূত্রের খবর, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ নিয়ে এই ঝগড়া হয়েছিল। সাগর রানা এবং তার বন্ধুরা যে বাড়িতে বাস করত, সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য তাদের চাপ দেওয়া হয়েছিল। এ-কারণে ১১ মে, মঙ্গলবার গভীর রাতে স্টেডিয়ামের ভিতরে দুই গ্রুপের কুস্তিগীর একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৫ জন কুস্তিগীর আহত হয়। তাদের একজন সাগর রানা (২৩) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দিল্লি পুলিশে একজন হেড কনস্টেবলের ছেলে।

আরও পড়ুন: দু’বছর অন্তর হবে ফুটবল বিশ্বকাপ!

পুলিশের মতে, স্টেডিয়ামের পার্কিং এলাকায় রাত ১.১৫ থেকে ১.৩০ মিনিটের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় সেখানে ৫টি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাগর এবং আরও চারজন কুস্তিগীরকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এতে সোনু (৩৭), অমিত কুমার (২৭) সহ আরও ২ জন রেসলার ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫টি গাড়ি ছাড়াও একটি ডাবল ব্যারেল বন্দুক এবং ৩টি জীবিত কার্তুজ উদ্ধার করেছিল।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *