দেখে নিন ভারতের ভাবী তারকাদের

Mysepik Webdesk: খেলাধুলার দিক থেকে ভারতের জুনিয়ররা কিন্তু পিছিয়ে নেই। তারা ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন খেলায় ভালো ফলাফল করছে। ১৫ বছরের কম বয়সি এমন অনেক খেলোয়াড় রয়েছে, যাদের ভবিষ্যতের বড় তারকা হিসাবে ভাবা হচ্ছে। টেনিস, শ্যুটিং সহ বিভিন্ন খেলায় তারা দাপটও দেখাচ্ছে। অনেকেই আবার মনে করছেন ভবিষ্যতে অলিম্পিকে পদকও পেতে পাতে তারা। এমন কয়েকজন খেলোয়াড় সম্পর্কে আজ বলব।

অভিনব সাউ (১২ বছর): পশ্চিমবঙ্গের অভিনব সাউ একজন শ্যুটার। মাত্র ১০ বছর বয়সে ‘খেলো ইন্ডিয়া’য় অংশ নিয়ে সবচেয়ে কম বয়সি প্রতিযোগী হিসেবে সোনা জিতে সকলকে চমকে দিয়েছিল আসানসোলের এই ছেলে। তাছাড়াও ৬৫তম জাতীয় স্কুল গেমস রাইফেল শ্যুটিংয়েও অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে রুপোর পদক জিতেছিল অভিনব। অলিম্পিক স্বর্ণপদক প্রাপ্তব অভিনব বিন্দ্রার নামানুসারে তার নামকরণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: গত মরশুমের ২৩ পাসের গোলের পরে এবার আই লিগের দ্রুততম গোল তুরুসানভের

সোহিনী মোহান্তি (১২ বছর): ১২ বছর বয়সি সোহিনী মোহান্তি ওড়িশার টেনিস খেলোয়াড়। সে ২০১৯ সালে জাতীয় সুপার সিরিজ টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১২ গার্লস সিঙ্গলসের শিরোপা জিতেছিল। তার চল্লিশটিরও বেশি জাতীয় খেতাব রয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৪ বিভাগেও খেলে সোহিনী।

আরও পড়ুন: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে জয় দিয়ে শুরু বাংলার

লক্ষ্যা শর্মা (১৫ বছর): লক্ষ্যা শর্মাকে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের ভবিষ্যৎ হিসাবে ভাবা হচ্ছে। অনূর্ধ্ব-১৫ এবং অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে প্রতিনিধিত্ব করেছে লক্ষ্যা। ২০১৯ সালে গ্লাসগো ইয়ুথ ইন্টারন্যাশনাল জিতেছিল সে। তাছাড়াও সুইস যুব ওপেন টুর্নামেন্টও চ্যাম্পিয়ন হয় লক্ষ্যা। তার নামে বেশ কয়েকটি জাতীয় পদকও রয়েছে।

আরও পড়ুন: বঞ্চনার ক্যাচ তালুবন্দি করার লড়াইয়ে ঋদ্ধিমান

বাবা মাঙ্গাত রাই শর্মার সঙ্গে লক্ষ্যা

রাজন হংসিনী (১০ বছর): চেন্নাইয়ের টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হংসিনী ২০২০ সালে সুইডিশ মিনি ক্যাডেট বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিল। শরথ কমলকে কোচিং করানো মুরলীধর রাওয়ের তত্ত্বাবধানে ট্রেনিং বর্তমানে নিচ্ছে হংসিনী। তাকে ২০২৮ সালের অলিম্পিকে পদক জেতার অন্যতম দাবিদার হিসাবে এখন থেকেই দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নতুন স্বপ্ন নিয়ে ক্রিকেট দৌড়ে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও

প্রীতম ব্রহ্মা (৯ বছর): বেবি লিগে গুয়াহাটি সিটি এফসির হয়ে খেলা প্রীতমকে সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়েছিল। ১৮টি গোল সহ ১৬টি অ্যাসিস্টও করেছে প্রীতম। লেফট উইঙ্গার প্রীতমকে জার্সি পাঠিয়েছিলেন প্রাক্তন জার্মান ফুটবলার মেসুথ ওজিল।

আরও পড়ুন: এক কিতাব এক নবাব

তাছাড়াও গত কয়েক বছরে সাঁতারু জয় জসওয়ন্ত (১০ বছর), সেলিংয়ে পার্ল কোলওয়ালকর (১৩ বছর), স্কোয়াশের আনহাত সিং (১১ বছর) এবং তাইকওয়ান্দোর দিব্যাংশ মীরচান্দানি (১০ বছর) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে। তারা সবাই যদি ধারাবাহিকতা এবং ধৈর্য ধরে রাখতে পারে, তাহলে আগামীদিনে তারকা হিসাবে উঠে এসে দেশের নামোজ্জ্বল করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *