“ভোটের ভাগ ঠেকাতেই জোটের প্রয়োজন”, পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী

Abbas Siddiki

Mysepik Webdesk: বঙ্গে ভোটার দামাম প্রায় বেজে গেছে। অপেক্ষা শুধু মাত্র নির্বাচন কমিশনের দিনক্ষণ ঘোষণার। প্রত্যেক দলই নিজেদের প্রচার করতে শুরু করেছে। বাম-কংগ্রেস জোট আসন সংখ্যা প্রায় ঠিক করে ফেলেছে। পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীও নিজের দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট নিয়ে এবারে লড়তে চলেছে। সেইমত প্রচারও শুরু করেছেন। কিন্তু একই লড়বেন, না কি জোটে সামিল হবেন তা নিয়ে এখনও কিছু ঘোষণা করেননি। এদিন পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী নদিয়ায় চাপড়ার বন্ধন লজে একটি কর্মী সভা করেন। এরপর তিনি পানিয়াখড়িতে একটি প্রকাশ্য সমাবেশে করেন।

আরও পড়ুন: নাবালিকা কন্যার বিয়ে রুখলেন প্রশাসন

এদিকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসন প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে বাম-কংগ্রেস জোট। মঙ্গলবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বাম-কংগ্রেসের মধ্যে আসনরফা চূড়ান্ত হয়। সেই বৈঠকে কংগ্রেসের পক্ষে ছিলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি-সহ আবদুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং নেপাল মাহাতো। অন্যদিকে, বামেদের তরফে বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র ও মহম্মদ সেলিমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে বিমান বসু জানান, আসন সংখ্যা নিয়ে চূড়ান্ত কথা হলেও, সেই সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা তাঁরা এখনই করছেন না। কারণ, রাজ্যের আরও ছোট ছোট দলগুলি তাঁদের সঙ্গে জোটে শামিল হতে চাইছে।

সেই দলগুলির মধ্যে রয়েছে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, জনতা দল (সেকুলার), এনসিপি। তবে এখনও জোটে শামিল হওয়া নিয়ে ধরি মাছ না ছুঁই পানি অবস্থান ভাইজান আব্বাসের। বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আইএসএফ।

আরও পড়ুন: একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সভা মমতা ও অমিতের

অধীর চৌধুরি বলেছেন, “আমাদের মধ্যে আসন রফা চূড়ান্ত। কে কত আসনে লড়বে এখনই বলছি না। কারণ, অনেক ছোট ছোট দল জোটের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে আসতে চাইছে। তাদের কিছু আসন ছাড়তে হবে জোটে শামিল হল। পরে বিতর্ক যাতে না হয় তাই এখনই সংখ্যা বলছি না।” বিমান বসুর মুখেও একই কথা শোনা গেল। তিনি বলেন, একুশের নির্বাচনে আমরা চাই বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ একসঙ্গে লড়াই করুক। তবে আইএসএফের তরফে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে পারছে না বাম-কংগ্রেস জোট। সাম্প্রতিক রাজ্য রাজনীতি দেখে অঙ্ক কষছে আইএসএফ। বেশ কিছু সমীকরণ রয়েছে। জোটে শামিল হলে কতটা ফলপ্রসু সিদ্ধান্ত হবে সেটাও ভেবে দেখার আছে।

ইতিমধ্যেই ১৯৩টি আসনে রফা করে ফেলেছে বাম-কংগ্রেস। বাকি ১০১টি আসন ছোট ছোট দলগুুলির মধ্যে ভাগাভাগি হতে পারে। এবার আব্বাসের দল কত আসনে সন্তুষ্ট হবেন সেটাই দেখার। তবে নদিয়ায় তাদের সাংগঠনিক শক্তি দেখে, এবং দৃঢ় মনোভাব দেখে মনে হচ্ছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *