Latest News

Popular Posts

রোজ রাতে রুটি খাওয়ার উপকারিতা

রোজ রাতে রুটি খাওয়ার উপকারিতা

Mysepik Webdesk: অনেকেই রয়েছেন যারা দু’বেলা ভাত খেতেই পছন্দ করেন। আবার অনেকেরই রাতে রুটি না হলে ঘুমই আসে না। যারা রাতে রুটি খান তাদের মধ্যে আবার অনেকেই আটার রুটির চেয়ে রিফাইন করা ময়দার রুটি খাওয়া পছন্দ করেন। গবেষণায় জানা গিয়েছে যে রিফাইন করা ময়দা বিভিন্ন ধাপে আমাদের খাওয়ার উপযুক্ত করে তোলা হয় বলে এর স্বাস্থ্যকর গুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।অন্যদিকে, লাল আটার রুটিতে ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকে বলে তা আমাদের জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর।

আরও পড়ুন: করোনামুক্তির পর চুল পড়ার সমস্যা হচ্ছে? জানুন সহজ সমাধান

শরীর সুস্থ রাখতে রুটির বিকল্প নেই। রুটিতে রয়েছে একাধিক পুষ্টিগুণ যা হার্ট ভালো রাখে। গমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, ই, সিলিকন, ক্লোরিন, সালফার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়োডিন, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ ক্যালসিয়াম এবং প্রাকৃতিক লবণ রয়েছে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাছাড়া গমের আটায় কোনও ফ্যাট জাতীয় উপাদান থাকে না বলে এটি হার্টের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের সুগারের মাত্রা বাড়তে দেয় না। এছাড়াও রুটিতে প্রচুর পরিমাণে বি১, বি২, বি৩, বি৬ এবং বি৯ থাকে যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

প্রতিরাতে কেন রুটি খাবেন?

খনিজের ঘাটতি পূরণ করে: শরীরকে সুস্থ রাখতে আমাদের শরীরে যা যা ভিটামিন এবং খনিজের প্রয়োজন, সেগুলি প্রায় সবই রয়েছে রুটিতে। তাই তো রাতে হোক কী দিনে রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

আরও পড়ুন: কিডনির সুরক্ষায় যা যা করণীয়

শরীরে ফ্যাট কমিয়ে দেয়: একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রুটি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত ফ্যাট দ্রুত ঝরতে শুরু করে। ফলে শরীরের ওজন কমে। আর্থাৎ রাতে রুটি খেলে ওজন তো বাড়েই না, উল্টে কমতে শুরু করে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে: রুটিতে উপস্থিত ফাইবার শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতা বাড়াতে শুরু করে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বল এবং বদ-হজমের মতো সমস্যাও কমিয়ে দেয়। রাতে ভাত এবং রুটির মধ্যে রুটি তাড়াতাড়ি হজম হয় বলে বদ-হজমের আশঙ্কা কমে যায়।

শরীরের এনার্জির মাত্রা বাড়ে: রাতে রুটি খেলে শরীরের ক্লান্তি হয় ও শরীরে এনার্জির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

ওজন কমে: রুটিরে ভাত বা অন্যান্য খাবারের তুলনায় ক্যালরি এবং ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকার এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। রুটি আমাদের শরীরের মেটাবোলিজম বৃদ্ধি করে ফলে ওজন বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।

ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করে: যাদের পরিবারে ডায়াবেটিকস এর ইতিহাস আছে তারা রুটি খেতে পারেন। প্রতিরাতে রুটি খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে ফলে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আরও পড়ুন: রোজ গরম জল খাওয়ার উপকারিতা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রাতে রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে প্রেসার বেড়ে যাওয়া এবং হার্ট অ্যাটাক, ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: রুটিতে উপস্থিত ফাইবার এবং সেলেনিয়াম ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভুমিকা পালন করেন। তাই ক্যান্সার থেকে মুক্তি পেতে রুটি খাওয়া উচিৎ।

ত্বকের জন্য উপকারী: রুটিতে প্রচুর মাত্রায় জিঙ্ক রয়েছে, যা ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *