কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীর তৈরি দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিল সুদূর কানাডায়

কৃষ্ণনগর, ১ অক্টোবর: বর্তমান করোনা আবহে প্রতিমা ছোট হোক বা বড়, জামা-কাপড় নতুন হোক বা নাই হোক, বাঙ্গালীদের মধ্যে থেকে সমস্ত অভাব-অনটনের মধ্যেও পুজোর গন্ধ, স্বাদ সাপ্তাহিক অনুভব করতে পারছি আমরা। কিন্তু যারা প্রবাসী? ছোটবেলা থেকে পুজো দেখতে অভ্যস্ত অথচ কর্মসূত্রে আটকে রয়েছেন দেশের বাইরে। ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই নিজের জন্মভূমিতে পুজো দেখার। কর্মব্যস্ততার মধ্যে ভিনদেশেও কোনও একজন বাঙালি পদবী পেলেই তার মোবাইল নম্বর সেভ করতে ভোলেন না প্রবাসীরা। উইকেন্ডে কোথাও এক জায়গায় বসে চা পানের মাধ্যমে মাতৃভাষায় আবেগ বিনিময় করার স্বাদ আমি-আপনি নই, একমাত্র প্রবাসী বাঙালিরাই পান।

আরও পড়ুন: দ্বিতীয়বার মেয়ে হওয়ায় চারমাসের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে খুন

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেক দেশেই বাঙালির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত দূর্গা পূজার দিনগুলি কাটে একসঙ্গে। সেই রকমই কানাডা নিবাসী বাংলার দু-একজন প্রবাসী নিকট আত্মীয়ের মাধ্যমে নদীয়ার কৃষ্ণনগর শহরের নম্বর ওয়ার্ডের রথতলায় মনোজ পাল এর সাথে যোগাযোগ করেন একটি ১৮ ইঞ্চি দুর্গা প্রতিমার জন্য। তিনি এবং তাঁর সহধর্মিনী মামপি পাল ১০ থেকে ১২ দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সম্পূর্ণ মাটি দিয়ে তাঁর শিল্প দক্ষতায় বানিয়েছেন অসাধারণ একটি দুর্গা প্রতিমা। আজই কৃষ্ণনগর ছেড়ে সুদূর কানাডার টরন্টোতে প্রবাসী বাঙালিদের কাতর প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে রওনা দিল উমা। শিল্পী মনোজ পাল জানান, “এবছর বড় ঠাকুরের থেকে ছোট ঠাকুরের চাহিদা বেশি। সূক্ষ্ম কাজের জন্য সময়ও লাগে বেশি। তার উপর বিদেশের ঠাকুরের অর্ডার পেলে আমরা বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে দেখি।”

আরও পড়ুন: গঙ্গার পার্শবর্তী ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে আজই আসুন পরিবহন নিগমের ক্রুজে, মাথাপিছু খরচ মাত্র ৩৯ টাকা

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *