‘নির্বাচন আসলেই ওরা ক্যাশ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে’, গড়বেতায় বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার

Mamata

Mysepik Webdesk: একদিকে যেমন পুরুলিয়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করছেন, অন্যদিকে তেমন গড়বেতার সভা থেকে বিজেপির তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সভা থেকে একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মুখ্যমন্ত্রী বিঁধে চলেছেন বিজেপিকে। পায়ে রক্ত জমাট বাধা অবস্থায় হুইল চেয়ারে বসেই তিনি একহাত নিলেন বিজেপিকে। বিজেপিকে তিনি ‘দুয়ারে সাপ’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “এটা দিল্লির নির্বাচন নয়। নরেন্দ্র মোদির নির্বাচন নয়। এটা বাংলার নির্বাচন। নির্বাচন আসলেই ওরা ক্যাশ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। ১০০টা ফ্লাইট ভাড়া করেছে। ভোট লুঠ করার ষড়যন্ত্র করছে। হাতে ক্যাশ বেলুন আর মুখে মিথ্যের গ্যাস বেলুন।”

আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার মঞ্চ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোষণের অভিযোগ তুললেন নরেন্দ্র মোদি

নিজের পায়ের চোটের কথা সাধারণের সামনে তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “‌আমার পা এখনও ঠিকমতো সারেনি, রক্ত জমাট বেঁধে আছে। তবু মানুষের কাছে ছুটে এসেছি। এর আগে আমার মাথায় মারা হয়েছে। দুটো হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পেটে দু’‌বার অপারশন করতে হয়েছে হয়েছে। আমার পা ঠিক ছিল। পায়ে চোট লাগার ফলে হৃদয়ে চোট লেগেছে। এখন মা বোনেদের পা-ই আমার পা।” যদিও পুরুলিয়ায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুস্থতা কেমন করে বলেছেন, “দিদির চোট লেগেছিল শুনে আমিও চিন্তা করেছি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, আপনি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠুন। উনিও আমাদের দেশের একজন মহিলা। দিদি বলছেন খেলা হবে। আমরা বলছি চাকরি হবে।”

আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ড: দাদা বিনয় মিশ্রর মতোই দেশ ছেড়ে পালতে চেয়েছিল বিকাশ

‌এদিন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আমফানের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “আমফানের সময় কোথায় ছিলেন নরেন্দ্র মোদি? দুর্যোগের সময় কোথায় ছিল বিজেপির সব চ্যালাচামুন্ডারা?” কৃষকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তিনটি আইন এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই আইনের আওতায় যে কোনও মুহূর্তে কৃষকদের জমি কেড়ে নেবে ওরা। কিন্তু আমরা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখন কৃষকবন্ধু প্রকল্পে ৫ হাজার টাকা করে কৃষকরা পাচ্ছেন। মে মাস থেকে ৬ হাজার টাকা পাবেন। সরকার আসলে ১০ হাজার টাকা করে পাবেন।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *