কোমায় আচ্ছন্ন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, রয়েছেন ভেন্টিলেশনে

Pranab Mukherjee

Mysepik Webdesk: দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাোধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং বর্তমানে তিনি কোমায় রয়েছেন। শুক্রবার সকালে দিল্লির সেনার রিসার্চ অ্যান্ড রেফারাল হাসপাতাল তরফে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, প্রণববাবুর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং তাঁকে এখনও ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঘরে বসেই টিকিট বুকিং, ভারতীয় রেল কর্মীদের সুবিধার্থে চালু হল ই-পাস মডিউল

গত ৯ আগস্ট রবিবার রাতে বাথরুমে পড়ে গিয়ে তিনি মাথায় ছোট পান। তার ফলেই তাঁর মাথার একাংশে রক্ত রক্ত বেঁধে যায়। সোমবার সকালে ডান হাত অবশ হতে থাকায় দ্রুত প্রণব মুখোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁর করোনাও ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচার করে সেই জমাট বাধা রক্ত বের করে দেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন প্রণব মুখোপাোধ্যায়। পরে শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সজনিত কারণে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে দাঁড়ান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইন্দিরা গান্ধী, নরসিমহা রাও ও মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।

আরও পড়ুন: শাশুড়িকে চা না-দেওয়ায় বধূর যৌনাঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ‘শাস্তি’ দিল স্বামী

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর ছেলে অভিজিৎ ও মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় সেই খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় টুইট জানিয়েছেন, “আমার বাবা শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় এখনও জীবিত রয়েছেন। তিনি হেমোডাইনামিক্যালভাবে স্থিতিশীল আছেন। তাঁর রক্তচাপ, শরীরে রক্ত সঞ্চালন ও হৃদযন্ত্রের কাজ স্থিতিশীল আছে। তাঁর কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমার বাবাকে নিয়ে যে গুজব ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো।”

প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ও টুইট করে জানিয়েছেন, ‘আমার বাবা সম্পর্কে যে যে গুজব রয়েছে, তা সবই মিথ্যা। বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ, দয়া করে আমাকে ফোন করবেন না কারণ হাসপাতাল থেকে যে কোনও খবর আসার জন্য আমাকে ফোন ফাঁকা রাখতে হচ্ছে।’

শুক্রবার তিনি আবার টুইট করেছেন, ‘মেডিক্যাল শব্দগুচ্ছের জটিলতায় না গিয়ে যতটুকু বুঝতে পারছি, গত দুই দিন ধরে আমার বাবার শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলেও তার নতুন কোনও অবনতি ঘটেনি। আলোর প্রতি তাঁর চোখের প্রতিক্রিয়ায় কোনও পরিবর্তনই প্রায় ঘটেনি।’

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *