জোগান বাড়াতে ভ্যাকসিনের ফর্মুলা দেওয়া হোক অন্যান্য সংস্থাকে, দাবি কেজরিওয়ালের

Mysepik Webdesk: দেশজুড়ে করোনা টিকার আকাল মেটাতে এবার নয়া যুক্তি পেশ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বর্তমানে ভারতে যে দু’টি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে সেই দু’টি হল যথাক্রমে সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দাবি, তাদের থেকে প্রতিষেধকের ফর্মুলা নিক কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেই ফর্মুলা অন্যান্য সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হোক যাতে পর্যাপ্ত পরিমান তৈরি করা সম্ভব হয় এবং দেশে টিকার যোগান আরও বাড়ে।

আরও পড়ুন: কর্ণাটক, তামিলনাড়ুর পর এবার তেলেঙ্গানায় ১০ দিনের লকডাউন

কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, “আগামী তিন মাসে দিল্লির বাসিন্দাকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু সেই পরিমান টিকা এখনও পর্যন্ত দেশে তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। দিল্লি সরকারের হাতে আপাতত যে পরিমাণ টিকা আছে, তাতে বড়জোর দিনকয়েক টিকাকরণ চলবে। তবে শুধু দিল্লি নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে টিকার আকাল দেখা দিয়েছে।” তাঁর মতে সেরাম ইনস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেক যে পরিমান টিকা তৈরি করছে, তাতে প্রত্যেক ভারতীয়দের টিকাকরণ করতে অন্তত দু’বছর সময় লেগে যাবে। তার মধ্যে ভারতে মারাত্মকভাবে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়বে।

আরও পড়ুন: অক্সিজেনের অভাবে ফের করোনা রোগীর মৃত্যু

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার এই দুই সংস্থার থেকে টিকা তৈরির ফর্মুলা নিয়ে নিক। আর সেই ফর্মুলা সেইসব সংস্থাকে দিয়ে দেওয়া হোক, যারা সুরক্ষিতভাবে টিকা তৈরি পারবে। টিকা বানানোর ফর্মুলা সর্বজনীন করে সেইসব সংস্থাকে দেওয়া হোক, যেগুলি টিকা তৈরি করতে চায়। ভারতের যতগুলি কারখানা টিকা তৈরি করতে সক্ষম, সেখানে যেন টিকা তৈরি করা হয়। প্রত্যেক ভারতীয়ের টিকা পাওয়ার অধিকার আছে। সেক্ষেত্রে ফর্মুলার রয়্যালটি বাবদ সেরাম ও ভারত বায়োটেককে টাকা দিতে পারে সংস্থাগুলি।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *