করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করতে গিয়ে ক্যানসার মুক্তির নিদান পেলেন জার্মান বিজ্ঞানী দম্পতি, বছর দুই পর মিলতে পারে ক্যানসারের ভ্যাকসিন!

Cancer

Mysepik Webdesk: এখন করোনাভাইরাস নিরাময়ের জন্য ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন এক জার্মান বিজ্ঞানী দম্পতি। তবে তাঁরা এখন ক্যানসার নিরাময়েরও উপায় খুঁজে পেয়েছেন। বায়োনটেকের সিইও ড. উগার সাহিন এবং তাঁর স্ত্রী ড. ওজলেম তুরেসি বলছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁরা পরের দুই বছরে ক্যানসারের ভ্যাকসিনও সরবরাহ করবেন। এই দম্পতি গত ২০ বছর ধরে ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য গবেষণা করছেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিশ্বের বৃহত্তম রোহিঙ্গা কলোনিতে ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জন নিহত, ৪০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ

ড. তিউরেসি জানিয়েছেন যে, বায়োনটেকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ম্যাসেঞ্জার-আরএনএ (এম-আরএনএ)-এর সাহায্যে মানবদেহে একটি প্রোটিনের উৎপাদন করছে, যা ভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। এটি বুঝতে হবে যে, এম-আরএনএ জিনগত কোডের একটি ছোট্ট অংশ, যা কোষে প্রোটিন গঠন করে। এর ব্যবহার নিরাপদ অ্যান্টিবডিও তৈরি করে।

তাঁদের কথায়, করোনার ভ্যাকসিন তৈরির সময় আমরা একই ভিত্তিতে ক্যানসার সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার জন্য কিছু ভ্যাকসিন প্রস্তুত করেছি। এখন আমরা শীঘ্রই একটি ক্লিনিকাল ট্রায়াল করতে যাচ্ছি। এখনও পর্যন্ত গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, এম-আরএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিনগুলি ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেবে। অর্থাৎ ক্যানসার রোগীরা এখন কেমোথেরাপি এবং রেডিয়োথেরাপির অসহনীয় ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন। এর পাশাপাশি চুল পড়া, খিদে কমে যাওয়া, ওজন কমা প্রভৃতি সমস্যা থেকেও মুক্তি মিলবে।

আরও পড়ুন: চৈনিক টিকা নেওয়ার পরেও করোনা আক্রান্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

এখানে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির সঙ্গে জড়িত অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানী অধ্যাপক সারা গিলবার্ট এবং অধ্যাপক অ্যাড্রিয়েন হিলও ক্যানসারের চিকিৎসায় এম-আরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে যুক্ত রয়েছেন। গ্রীষ্মে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের উপর তিনি এম-আরএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন পরীক্ষার প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন। তিনি ‘ভ্যাকিটেক’ নামে একটি সংস্থা গঠন করেছেন, যা ইতিমধ্যে প্রোস্টেট ক্যানসারের কার্যকর ভ্যাকসিন চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছে। উল্লেখ্য, প্রাথমিক ট্রায়ালগুলি এই ভ্যাকসিন থেকে খুব ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *