মায়ের মৃতদেহ তিনদিন ধরে আগলে রাখল মেয়ে, মনে করিয়ে দিল ২০১৫ সালের রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনা

Mysepik Webdesk: একটানা তিনদিন ধরে ঘরের মধ্যে মায়ের মৃতদেহ আগলে রইল মেয়ে। তিনদিন পর প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপে পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ট্যাংরায়, যা মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০১৫ সালে ঘটে যাওয়া রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনার কথা। সেক্ষেত্রে প্রায় ছ’মাস ধরে বাড়ির মধ্যে দিদির মৃতদেহ আগলে বসেছিলেন পার্থ দে।

আরও পড়ুন: পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ফেসবুক লাইভ রিকশা চালালেন মদন মিত্র

জানা গিয়েছে, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁর তিন মেয়ের মধ্যে দু’ই মেয়েরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাঁর তৃতীয় মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী ধীরেন দাস পেশায় একজন রেলকর্মী। চাকরির সুবাদে তাঁকে প্রায় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। সেক্ষত্রে ঘটনার কথা তিনি জানতেন না বলেই দাবি করেছেন। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, সোমা দাস মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। শুধু তাই নয়, বাড়িতে কেউ আসতে চাইলেই চিৎকার করতেন, বাসনপত্র ছোড়াছুড়ি করতেন। তাই পাড়ার লোকজন তাদেরকে এড়িয়েই চলতেন।

আরও পড়ুন: কোভিড নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকে তিনদিনের কড়া লকডাউন রাজপুর-সোনারপুরে

রবিবার সকালে প্রতিবেশীরাই প্রথম বুঝতে পারেন কিছু একটা ঘটেছে ওই বাড়িতে, কারণ সকাল থেকেই প্রচন্ড দুর্গন্ধে তাঁরা অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসেই প্রথম দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় তাঁর মেয়ে বসেছিল মায়ের মৃতদেহের পাশে। পুলিশ জানিয়েছে, মানসিক ভারসাম্য হওয়ার জন্যই সে এই কান্ড ঘটিয়েছে। প্রায় দিন তিনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে কৃষ্ণা দাসের। ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর, জানার জন্য মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *