দেশজুড়ে ফের লকডাউন হলে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না ভারতীয় অর্থনীতি, আশঙ্কা আরবিআই-এর

RBI

Mysepik Webdesk: করোনাভাইরাসের দাপটে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে। ধীরে ধীরে আবার সবাই স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফেরার চেষ্টা করছে। এমত অবস্থায় যদি ফের একারাব দেশজুড়ে লকডাউন হয় তাহলে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না ভারতীয় অর্থনীতি এমনটাই আশঙ্কা আরবিআই-এর। ফলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় যদি শেষ পর্যন্ত আর্থিক বিধিনিষেধ আরোপ করতেই হয়, তাহলে ইতিমধ্যেই কর্মহীন হয়ে পড়া কোটি কোটি ভারতীয়ের ফের কাজে ফেরার পথও কঠিন হবে৷

আরও পড়ুন: বিকানেরে ফসল রাখার কন্টেইনারে পড়ে ৫ শিশুর মৃত্যু

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মাসিক বুলেটিনের সর্বশেষ সংস্করণে ডেপুটি গভর্নর মাইকেল দেবব্রত পাত্র লিখেছেন, ‘উচ্চ আর্থিক বৃদ্ধির হারে ফেরার জন্য গোটা দেশে মরিয়া চেষ্টা চলছে৷ কিন্তু ফের যদি আরও একবার দেশে মারণ ভাইরাসের ঢেউ আছড়ে পড়ে, তাহলে পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সেই ধাক্কা সামাল দেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে৷’

করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হলেও গত কয়েকদিন থেকে ফের দেশজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিনবাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসে দৈনিক সংক্রামণের সংখ্যা যেখানে ১০ হাজারের নীচে নেমে গিয়েছিল, সেখানে বর্তমানে ফের সংক্রামণের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশের মধ্যে করোনা নিয়ে সবথেকে বেশি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি রয়েছে মহারাষ্ট্রে৷ ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি জেলায় লকডাউন জারি করা হয়েছে৷

আরও পড়ুন: দেশে ঊর্ধ্বমুখী করোনা, মহারাষ্ট্র গড়ল রেকর্ড

এনডিটিভি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, Deutsche Bank-এর তরফে ভারতের প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক দাসও জানিয়েছেন, ফের যদি দেশজুরে করোনার প্রভাব বাড়তে থাকে তাহলে তার প্রভাব অর্থনীতির উপরে পড়তে বাধ্য। কৌশিকবাবুর মতে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ত্রৈমাসিকেই সেই প্রভাব স্পষ্ট হবে।

এদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিজেদের পূর্বাভাসে জানিয়েছিল, গত বছরের তুলনায় এ বছর এপ্রিল- জুন ত্রৈমাসিকে ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে ২৬.২ শতাংশ।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *