করোনা আক্রান্ত রোগী দেখতে বলায় হাসপাতালের বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিলেন নার্স

Nurses

Mysepik Webdsek: দেশের বিভিন্ন রাজ্যে থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের আত্মহত্যা করার খবর পাওয়া গিয়েছে বিভিন্ন সময়ে। তবে এবারে মেডিকেল কলেজের এক নার্স হাসপাতালের বিল্ডিং থেকে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন। তবে তিনি করোনা আক্রান্ত নন। তাকে কোভিড রোগীদের ওয়ার্ডে ডিউটি দেওয়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রথমতল ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নার্সিংপড়ুয়া ওই ছাত্রী। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আঘাত পেয়েছেন ওই নার্সিংপড়ুয়া। ওই হাসপাতালেই তাঁর চিকিত্‍‌সা চলছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বরুণ অর্জুন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটলেও সামনে এসেছে বৃহস্পতিবার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর, পুলিশই বিষয়টি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সাংঘাতিক! একটানা ১৬ ঘন্টা PUBG খেলে মৃত্যু কিশোরের

আহত ওই নার্সিংপড়ুয়ার পরিবার সরাসরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। ওই নার্সের এক নিকট আত্মীয় জানিয়েছেন, আমরা খঁজে খবর নিয়ে জানতে পেরেছি, আমাদের মেয়ে কোভিড হাসপাতালে ডিউটি করতে অস্বীকার করায়, তাকে মানসিক ভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। আর তার ফলেই সে এমন কাজটি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছেন, ওই নার্সের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মুম্বই যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের ২ মাসের সন্তানকে বিক্রি করে দিলেন মা

হাসপাতালের বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দেওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ওই নার্স। সেখানে তিনি বলেন, কোভিড হাসপাতালের ডিউটিতে যোগ দেওয়ার জন্য আমার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে আমার স্বাস্থ্যবিমা না-থাকার কারণে, আমি ডিউটি করতে রাজি হইনি। বেতন বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম, তা-ও অস্বীকার করা হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। এরপর আমার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। এই ঘটনার পরই ভিডিওটি সামনে এসেছে। জেলাশাসক ইন্দ্র বিক্রম সিং জানিয়েছেন, আহত ওই নার্সের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে লোকাল থানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর করা হয়েছে। যদিও, হাসপাতালের তরফে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *