বদলে গেল আন্দোলনের রূপরেখা, অনশনে বসলেন বহিষ্কৃত এক ছাত্রী ও অধ্যাপক

Mysepik Webdesk: দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে বিশ্বভারতীতে চলতে থাকা ছাত্র আন্দলনের রূপরেখার বদল হল আজ। বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দলনে এবার গান্ধীবাদের ছায়া। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে ঘেরাও ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখে অবস্থান বিক্ষোভের পর এবার প্রতীকী অনশন ও সত্যাগ্রহের পথে হাঁটলেন বিশ্বভারতী থেকে বহিষ্কৃত হওয়া ছাত্রী রূপা চক্রবর্তী ও বিশ্বভারতীর সাসপেন্ডেড অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য।

আরও পড়ুন: ডুয়ার্সের নতুন আকর্ষণ ভিস্টাডোম, কী রয়েছে সেখানে?

এই অনশন মঞ্চে মূলত তাঁদের দাবি, বিশ্বভারতী থেকে এতদিন পর্যন্ত যতজন ছাত্র-ছাত্রী, অধ্যাপক ও অধ্যাপিকাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে পুনরায় বিশ্বভারতীতে বহাল করতে হবে এবং বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করাতে হবে। এই অনশন প্রসঙ্গে অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, “বিশ্বভারতীর বর্তমান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী একজন যৌন হেনস্থাকারী। তিনি প্রতিনিয়ত বিশ্বভারতীর ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অধ্যাপক-সহ প্রতিটি মানুষের সঙ্গে মিথ্যাচার করছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেই তিনি সাসপেন্ড তাঁকে করছেন। এমনকি তিনি তিনজন ছাত্র-ছাত্রীকে বহিস্কার করতেও পিছপা হননি। কার্যত তারই প্রতিবাদস্বরূপ এই অনশনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।” যদিও বর্তমানে তাঁরা প্রতীকী অনশনে বসেছেন। যদি শীঘ্রই তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তাহলে তাঁরা আমরন অনশনে বসবেন।”

আরও পড়ুন: পুজোর আগেই রাজ্যে উপনির্বাচন, বিবৃতি দিয়ে জানাল নির্বাচন কমিশন

এই অনশন প্রসঙ্গে বহিষ্কৃত ছাত্রী রূপা চক্রবর্তী জানান, “দীর্ঘ ন’দিন ধরে তাঁরা উপাচার্য বাংলোর সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, উপাচার্যকে ঘেরাও করেছেন। কিন্তু তাতেও উপাচার্য তাঁদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন মনে করেন নি। ফলে আর কোনো পথ না খোলা পেয়ে অবশেষে তাঁরা এই অনশনের পথেই হাঁটলেন। যদি আগামীদিনে উপাচার্য তাঁদের দাবী না মানেন, সেক্ষত্রে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আমরন অনশনের পথে হাঁটতেও পিছপা হবে না।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *