ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতে বনধে কোনও প্রভাবই পড়ল না স্কুলগুলোয়!

School Open

Mysepik Webdesk: দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষারত ছাত্রছাত্রীদের স্কুল খোলার কাঙ্ক্ষিত দিন ছিল আজ। তা নিয়ে গতকালের চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি ছিল প্রত্যেক বিদ্যালয়েই। কিন্তু গতকাল ছাত্র-যুব নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে আজকের ডাকা বনধ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন তাদের অভিভাবকরা। তবে এদিন সকাল হতেই চিত্রটা অন্যরকম দেখা যায়। নজরে পড়ে, ছাত্রছাত্রীরা দীর্ঘদিন পর বেশ উচ্ছ্বসিত হয়েই স্কুলের পথে রওনা দিয়েছে। এমন চিত্র দেখে মনে হবে যে, স্কুল ছাত্রছাত্রীদের এই স্বতঃস্ফূর্ততা হার মানিয়েছে বনধকেও। অন্যদিকে, বিভিন্ন বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত হলে পঠন-পাঠন চলবে সমস্ত সরকারি নির্দেশ মেনেই। রাস্তাঘাটে বনধের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও বিদ্যালয়গুলোয় কিন্তু তার আঁচ লাগেনি এতটুকু।

আরও পড়ুন: বনধ সফল করতে রাস্তায় বাম সমর্থকরা, ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গেও

থার্মাল স্ক্রিনিং, মাস্ক আনতে ভুলে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের মাস্ক প্রদান, স্কুলের বাইরে বেসিনে হাত ধুয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ, দীর্ঘদিনের না দেখা হওয়া বন্ধু-বান্ধবীর আবেগ উপেক্ষা করে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা, এ-ধরনের নানান সর্তকতার মধ্য দিয়ে আজকের উপস্থিত হওয়া ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সজাগ থাকতে দেখা গেল প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে। এমনকী ক্লাসের মোট ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতির হার অনুযায়ী ৩০ জনের বেশি একসঙ্গে বসতে না দেওয়ার কারণে কে কোন শ্রেণিকক্ষে বসবে, তা-ও তদারকি করতে দেখা গেল শিক্ষা সহযোগী কর্মচারীদের।

আরও পড়ুন: দীনেশ ত্রিবেদীকে বিজেপিতে স্বাগত জানালেন অর্জুন সিং

প্রত্যেক শ্রেণিকক্ষের মধ্যেই করোনা পরিস্থিতিতে মেনে চলা বিভিন্ন নির্দেশ বিদ্যালয়ের দেওয়ালে, সিঁড়িতে, শ্রেণিকক্ষে যাতে সকল ছাত্রছাত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়, এমন জায়গায় লাগানো হয়েছে। শ্রেণিকক্ষ শুরুর প্রথমেই পারস্পারিক দূরত্ব বজায় রেখে সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দেখা গেল ক্লাস টিচারকে। এরপর প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতিতে মেনে চলা সরকারি বিধির বিষয় আলোচনা করতে দেখা গেল।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *