হাথরসের তরুণী খুনের আসল অপরাধী তরুণীর বাবা-দাদাই, দাবি মূল অভিযুক্তের

hathras

Mysepik Webdesk: হাথরসের দলিত তরুণীর মৃত্যুর কারণ আসলে তার দাদা আর বাবা। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তরুণীর খুনের দায় তার পরিবারের ওপরেই চাপালো হাথরস কাণ্ডের মূল অপরাধীরা। তাদের দাবি, ওই তরুণীর মৃত্যুর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। বুধবার হাথরসের পুলিশ সুপারের কাছে তারা একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে একথা। ওই চিঠিতে সন্দীপ, রামু, লবকুশ ও রবির বুড়ো আঙুলের ছাপ রয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশের সার্বভৌমত্য রক্ষার জন্য সর্বদা তৈরি ভারতীয় সেনা, জানালেন বায়ুসেনা প্রধান রাকেশ কুমার সিং ভাদৌরিয়া

এই চারজনের মধ্যে মূল অভিযুক্ত উনিশ বছরের সন্দীপের দাবি, সে ওই তরুণীকে চিনতো। শুধু তাই নয়, ওই তরুণীর সঙ্গে তার যোগাযোগও ছিল। সন্দীপ আরও জানিয়েছে, ওরা দু-জনে বন্ধু ছিল। সে নির্দিষ্ট একটি নম্বরে ফোন করে ওই দলিত তরুণীর পরিবারের সঙ্গেও কথা বলত। ওই ফোন নম্বরটি নির্যাতিতার দাদার নাম রেজিস্টার্ড। কিন্তু ওই তরুণীর মৃত্যু তাদের কারোর হাতে হয়নি। তাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে দলিত পরিবারটি। যদিও, হাথরস নির্যাতিতা তরুণীর দাদা মূল অভিযুক্ত সন্দীপের সঙ্গে তার যে কথা হতো, সে কথা মানতে চাননি।

আরও পড়ুন: আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগোল ভারত, রাফালের থেকেও উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান তৈরি হচ্ছে ভারতেই

হাথরসে দলিত তরুণীর মৃত্যুর পর থেকেই প্রকাশ্যে হাথরস ধর্ষণকাণ্ড। অভিযোগ, গত ১৪ সেপ্টম্বর গণধর্ষণ করা হয় হাথরসের ওই তরুণীকে। অত্যাচারের ফলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে একটি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালের ভর্তির পরদিনই মারা যায় নির্যাতিতা। ওই রাতেই পুলিশ তার দেহ জোর করে পুড়িয়ে দেয়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এই ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, আদতে বিচার নয়, উচ্চবর্ণের অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। বিজেপির কয়েক জন নেতাও প্রকাশ্যে অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে তাদের নির্দোষ বলে দাবি করে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *