প্রবল বর্ষণে জলোচ্ছ্বাস বাড়ছে বীরভূমের নদীগুলির, বন্যার আশঙ্কা

মহিউদ্দীন আহমেদ, সিউড়ি

টানা বর্ষণে জলোচ্ছ্বাস বাড়ছে বীরভূমের নদীগুলির। তার জন্য বন্যার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। সতর্ক রয়েছে প্রশাসনও। গত দু-তিন ধরে নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টানা বৃষ্টিতে ছোট, বড় নদীগুলির জলস্তর বেড়েছে। বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের সুনির্দিষ্ট বিভাজনকারী অজয় নদীতেও জলস্তর বেড়েছে। নদীর লাগোয়া বোলপুর থানার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা সেখ সাঈদ বলেন, ”যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে নদীতে জলস্তর বাড়ছে। অতিবৃষ্টির জন্য নদীতে জলের স্তর ও গতি যদি বেড়ে যায়, তাহলে নদী ভাঙনের ফলে বন্যা হতে পারে। আমরা যেমন সতর্ক রযেছি, তেমনি আতঙ্কিতও।

আরও পড়ুন: জাতীয় সড়কের হাল বেহাল: সমস্যার কথা জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি বিধায়কের

বীরভূমের হিংলো, ব্রাহ্মণী, ময়ূরাক্ষী,  শাল, বক্রেশ্বর সহ অনান্য নদীর জলস্তরও বেড়েছে। তবে শনিবারের দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা স্বস্তিও মিলেছে। শনিবার দুপুরের পর বা রবিবার বৃষ্টি না হলেও আকাশ মেঘলা রয়েছে। বৃষ্টি যেমন হয়নি, তেমন আর হবে না এমন নিশ্চয়তাও নেই। ব্যারেজগুলি থেকেও ছাড়া হয়েছে জল। ময়ূরাক্ষী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা সাঁইথিয়া থানা এলাকার মুজিবর রহমান বলেন, ”নদীতে জল বাড়ছে। বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। আবার নদীর পাশে বা সাধারণ ধান জমিতেও জল ভরে রয়েছে। তার ফলে ধান চাষেরও ক্ষতি হবার আশঙ্কা রয়েছে।”

আরও পড়ুন: আগামী সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হবে তারাপীঠ মন্দির

জেলা প্রশাসনের এক কর্তা এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ”জেলার সর্বত্রই আমাদের নজর রয়েছে। বন্যা হলে মানুষ যেন সমস্যায় না পড়েন, সেটাও দেখার যথাযথ চেষ্টা হচ্ছে। স্পিড বোট-সহ বন্যা মোকাবিলায় যা যা দরকার, তাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *