যশের হাত থেকে বাঁচতে জেলার স্কুলগুলিকে গড়ে তোলা হল অস্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে

Mysepik Webdesk: ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় নেমেছে রাজ্য সরকার। আমফানের থেকে শিক্ষা নিয়ে আর এই ঝড়কে হালকাভাবে নিতে রাজি নয় প্রশাসন। মানুষের জীবন-জীবিকা বাঁচাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে রাজ্য সরকার, টুইট করে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো এবার উপকূলবর্তী অঞ্চলের স্কুলগুলিকে অস্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। গতকাল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাশাসকের কাছে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে স্কুলগুলিকে মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সেই সংক্রান্ত একটি গাইডলাইনও তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় টাউকটে নিখোঁজ নদিয়ার শ্রীবাস

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড়ের সময় উত্তাল থাকবে সাগর। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ১৮০ থেকে ১৯০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পাশাপাশি ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিতে ভাসবে জেলাগুলি। ইতিমধ্যেই যশের মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, সাগর, বাসন্তী, গোসাবা এবং ডায়মন্ড হারবারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও নামখানা, মথুরাপুর, পাথরপ্রতিমায় পাঠানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ও হাসনাবাদে এবং ব্যারাকপুরে এসডিআরএফ টিম মোতায়েন রাখা হয়েছে। ২০টি স্যাটেলাইট ফোন এবং ২৫টি ড্রোনের মাধ্যমে চালানো হবে নজরদারি। বেশি পরিমান ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে এমন এলাকায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ত্রিপল, সাবান, চাল, ডাল, বেবিফুড।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *