বিশ্বের ১০০টি দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ, উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Mysepik Webdesk: ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস থেকেই বিশ্বজুড়ে ত্রাসের ওপর নাম হয়ে উঠেছে করোনাভাইরাস। চিনের ইউহান শহর থেকে একটু একটু করে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই মরণ ভাইরাস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে সংক্রমণের ধরণ, মিউটেশনের ফলে পাল্টেছে ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট। বর্তমানে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টটি সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার প্রধান ডা. টেড্রোস আধানম দাবি করেছেন, কোভিড-১৯-এর ভ্যারিয়েন্টগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর হল এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

আরও পড়ুন: সবকটি মৃত্যুদণ্ডের ওপর স্থগিতাদেশ আমেরিকায়

ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন ও প্রাণঘাতী ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টটি বিশ্বের ১০০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সেক্ষেত্রে এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে প্রত্যেকটি দেশে দ্রুত টিকাকরণই হল একমাত্র রাস্তা, এমনটাই মনে করছেন ডা. টেড্রোস আধানম। তাঁর কথায়, “আগামী বছর এই সময়ের মধ্যেই প্রত্যেকটি দেশে অন্তত ৭০ শতাংশকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ করতে হব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এই বিষয়ে সমস্ত দেশের প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।” তিনি মনে করেন, এই বিষয়টি নিশ্চিত করা না হলে আগামী দিনগুলি বিশ্ববাসীর জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: অবশেষে কোভিশিল্ড গ্রহীতাকে অনুমোদন দিল ইউরোপের ৮টি দেশ

অন্যদিকে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলিকে সতর্ক করে তিনি বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন বন্টনের ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি করা মানেই আদপে গোটা বিশ্বের ক্ষতি। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিজেদের দেশের মানুষের কথা ভেবে ভ্যাকসিন কুক্ষিগত করার চেষ্টা করলে আখেরে সকলকেই ভুগতে হবে। তাতে করে মূল সমস্যার কোনও সমাধান করা সম্ভব হবে না। তাই প্রত্যেকটি দেশের প্রধান লক্ষ হওয়া উচিত, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০ শতাংশ এবং বছরের শেষে ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনা এবং পরের বছর জুলাইয়ের মধ্যে সেই সংখ্যাটা নিয়ে যেতে হবে ৭০ শতাংশে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ টিকা পেলে তবেই অদূর ভবিষ্যতে মানবজাতি করোনার মতো অভিশাপ থেকে রক্ষা পাবে। অন্যথায় যত দিন যাবে, বিশ্বের পরিস্থিতি তত কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকবে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *