নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে: অমিত শাহ

Amit shah

Mysepik Webdesk: সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সঠিক পরিকল্পনার জন্য ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে নিয়ন্ত্রণ করেছে ভারত, বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, গোটা বিষয়টি যে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই সম্ভব হয়েছে, সেই কথাও বলতে ভুললেন না তিনি। গুজরাতে ন’টি অক্সিজেন প্ল্যান্টের ভার্চুয়াল শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথাই বলেন তিনি। তিনি আরও জানান, সবকিছুর নেতৃত্বে নরেন্দ্র মোদি ছিলেন বলেই অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যেই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: টিকা নিয়ে কারও ক্ষতি হলে তার দায় সংস্থার নয়, কেন্দ্রের কাছে হস্তক্ষেপের দাবি সিরাম ইনস্টিটিউটের

এদিন অমিত শাহ বলেন, “দেশে অক্সিজেনের চাহিদা ১০ হাজার টন থেকে কমে ৩৫০০ টনে নেমে এসেছে। অক্সিজেনের এই কমতে থাকা চাহিদাই প্রমাণ করছে, দেশে করোনার সংক্রমণ কমছে। এর পেছনে রয়েছে নরেন্দ্র মোদির সুদক্ষ নেতৃত্ব। তাঁর নেতৃত্বে সাফল্যের সঙ্গে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে সক্ষম হয়েছে দেশ।” তাঁর দাবি, বিশ্বের অন্যান্য দেশ করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খেয়ে গেলেও ভারত ধৈর্য ও সঠিক পদক্ষেপের ফলে সাফল্যের মুখ দেখেছে। অন্যান্য দেশের সরকার যেখানে একক ভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৩৫ কোটি দেশবাসী এগিয়ে এসেছে এই লড়াইয়ে। সেই কারণে দ্রুত সাফল্য লাভ করেছে ভারত।

আরও পড়ুন: আপনি কী মাধ্যমিক পাশ? ভারতীয় রেলে চলছে কয়েক হাজার শূন্যপদে নিয়োগ

কিছুদিন আগে পর্যন্ত যেখানে ভারতে দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল চার লক্ষেরও বেশি, সেখানে ইদানিং দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমে দেড় লক্ষের কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে। তবুও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে, এটা ঠিক, তবে মানুষের গা ছাড়া মনোভাবের ফলে সংক্রমণের সূচক ফের ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। যদিও ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য এখনও করোনা বিধিনিষেধ কড়াকড়িভাবে জারি রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কার পর দ্বিতীয় ধাক্কার কথা চিন্তা করে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে যে বড় মাপের পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন ছিল, তা সঠিকভাবে করা হয়নি। এর ফলে হাসপাতালের বেড, জীবনদায়ী ওষুধ, অক্সিজেনের অভাবে বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা গত কয়েকদিন ধরেই আমাদের সামনে এসেছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *