করোনায় কালো হয়ে যাওয়া হাতের আঙ্গুল কেটে বাদ দিতে হল মহিলার

Mysepik Webdesk: করোনার ফলে রক্ত জমাট বেঁধে মানুষের শরীরের যেকোনও অংশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সম্প্রতি চিকিৎসকরা এমনটাই দাবি করেছেন। তবে এহেন দাবি করার অবশ্য বিশেষ একটি কারণও রয়েছে। সম্প্রতি ইতালিতে এক মহিলা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর দেখা গিয়েছে তাঁর হাতের তিনটি আঙুলে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, রক্ত জমাট বেঁধে সংক্রমণ রুখতে অস্ত্রোপচার করে সেই তিনটি আঙ্গুল কেটে বাদ দিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এর ফলে এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি খুইয়ে ফেলেছেন তাঁর তিনটি আঙ্গুল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ইতালিতে।

আরও পড়ুন: এবার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু শিশুদের শরীরেও

Image result for finger black due to corona attack

এই ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আসে ‘ইয়োরোপিয়ান জার্নাল অফ ভাস্কুলার অ্যান্ড এন্ডোভাস্কুলার সার্জারি’ নামক একটি জার্নাল থেকে। ওই জার্নালে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সী এক মহিলার দু’হাতের মিলিয়ে মোট তিনটি আঙ্গুল রক্ত জমাট বেঁধে কালো হয়ে গিয়েছে। সেই ছবিও প্রকাশিত হয়েছে ওই জার্নালে। এরপর চিকিৎসকরা তাঁর ওই তিনটি আঙ্গুল কেটে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ আঙ্গুল থেকে তাঁর শরীরের অন্যত্র সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

আরও পড়ুন: করোনা কেড়ে নিল দুটি সাদা বাঘের বাচ্চার জীবন

Image result for finger black due to corona attack

ওই মহিলা জানিয়েছেন, কয়েকমাস আগে তিনি অনুভব করেন আঙুলে গ্যাংগ্রিনের মতো তাঁর কিছু সমস্যা হচ্ছে। তবে তাঁর শরীরের অন্য কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি। চিকিৎসা করাতে গিয়ে দেখা যায়, রক্ত তাঁর হার্টে পৌঁছচ্ছে না। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন করোনা তাঁর রক্তনালীতে সংক্রমণ ঘটিয়েছে। এর ফলে আঙুলের উপরের দিকে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরে তিনি কোভিড পরীক্ষা করানোর পর দেখেন তিনি কোভিড ১৯ পজিটিভ। এই প্রসঙ্গে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ রিসার্চের অধ্যাপক গ্রাহান কুক জানান, করোনা একটি মাল্টি-সিস্টেম ডিজিজ। এটির একাধিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। একাধিক রোগ শরীরে তৈরি করতে পারে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও এই ধরণের ঘটনা বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে। যদিও এটি একটি বিরল ঘটনা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *