সহকারী অধ্যাপকের শূন্যপদে নিয়োগ নেই, প্রতীকী প্রতিবাদে চাকরিপ্রার্থীরা

Mysepik Webdesk: সহকারী অধ্যাপক পদে শূন্যপদ রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার। কিন্তু এই শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও তাতে নিয়োগ হচ্ছে না। ইউজিসির নিয়ম মোতাবেক কলেজগুলিতে সিবিসিএস পদ্ধতিতে ২০১৮ সাল থেকে যে পঠন-পাঠন শুরু হয়েছে, তার জন্য কলেজগুলিতে প্রতিটি বিভাগে ৪ থেকে ৬ জন অধ্যাপকের প্রয়োজন। কিন্তু সে গুড়ে বালি। পশ্চিমবঙ্গে এমন অনেক কলেজ রয়েছে, যেখানে নেই কোনও স্থায়ী অধ্যাপক। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সমস্ত শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। ২০১৯-এর ২২ অক্টোবর ইউজিসির জারি করা সেই নির্দেশ এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গে ৪৫২টি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কলেজে পূর্ণ সময়ের স্থায়ী অধ্যাপকের শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ৩০,০০০ বা ৬৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টারের ক্লাস শুরু ৫ এপ্রিল, বজায় অনলাইন পদ্ধতি

তবে ঘটনাচক্রে, শূন্যপদ থাকলেও বিগত তিন বছরে সেই শূন্যপদে কোনও অধ্যাপক নিয়োগ হননি। বরং তার বদলে অস্থায়ী এবং আংশিক সময়ের শিক্ষক দিয়ে ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা চলছে। পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশন এর মেধাতালিকায় যাবতীয় যোগ্যতার পরীক্ষা দিয়ে স্থান পাওয়া উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীদের নিয়োগ হচ্ছে না কলেজগুলোয়। এই কারণে একাংশ চাকরি প্রার্থীরা বাড়ির ঘটি বাটি বিক্রির প্রতীকী আন্দোলন করে তাঁদের অসহায়তার ছবিকে বোঝাতে চাইলেন। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় সরব হয়ে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, কলেজ সার্ভিসে মেধাতালিকায় তপশিলি জাতি, উপজাতি, মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ৮০% হলেও এক্ষেত্রে মাননীয়ার কথা এবং কাজের মধ্যে বৈসাদৃশ্য স্পষ্ট পরিলক্ষিত।

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *