ছোট্ট গ্রামের বাসিন্দা মাত্র দু’জন, তবুও বাড়ির বাইরে বেরলে তাঁরা মাস্ক পরেন

Mysepik Webdesk: ইতালির ইতালির পেরুগিয়া আমব্রিয়াতে ছোট্ট গ্রাম নোরটোসের বাসিন্দা মাত্র দু’জন, জিওভান্নি কারিল্লি (৮২) এবং জিয়াম্পিয়েরো নোবিলি (৭৪)। দুজনের বাড়ির দূরত্বও বেশি নয়। সরকারি ভাবে এই দুই প্রবীণ ছাড়া আর কেউ থাকেন না ওই গ্রামে। ভেড়ার পাল, মৌচাক, বাগানে ফলের চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন দু’জনে। তাঁদের কোনও প্রতিবেশীও নেই। খুব কমই তাঁরা গ্রামের বাইরে যান। ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও কম।

আরও পড়ুন: খোলামেলা পোশাক পরে বিতর্কে জড়ালেন বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী

তবুও করোনা নিয়ে চূড়ান্ত সতর্ক তাঁরা। বাড়ির বাইরে বেরলে তাঁরা কিন্তু মাস্ক পরতে ভোলেন না। শুধু তাই নয়, দু’জনে কখনো দেখা করলেও নিজেদের মধ্যে অন্তত এক মিটারের ব্যবধানও বজায় রাখেন। তাঁদের মধ্যে একজন কারিল্লি সিএনএন-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানান, “আমি এখানে একাই থাকি। যদি অসুস্থ হয়ে পড়ি তাহলে আমাকে কে দেখবে? আমার বয়স হয়েছে ঠিকই, তবু আমার ভেড়ার পাল, ফলের বাগান, মৌচাক এসব দেখেই আমি আরও অনেকদিন বাঁচতে চাই। আমি আমার জীবন নিয়ে যথেষ্ট সুখী।”

আরও পড়ুন: দিশি পুজো, বিলিতি হ্যালোইন (নিউ জার্সি, আমেরিকা)

ওই গ্রামের আরেক বাসিন্দা জানান, “নিরিবিলি এমন একটি গ্রামে থেকে নিয়ম মানাটা আমার দায়িত্ব। মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব মানার অর্থ শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের কারণে নয়, এমনও নয় যে এটা ভাল বা খারাপ অভ্যাসের ব্যাপার। মানুষের স্বার্থে কোনও নতুন নিয়ম তৈরি হলে নিজের এবং অন্যদের স্বার্থেই তা মানা উচিত। এটা একটা নীতির বিষয়।” কারিল্লি এই নোরটোসে এঁরা দু’জনেই জন্মগ্রহণ করলেও নিজের জীবনের বেশিরভাগ সময়টা রোমে কাটিয়েছেন। শেষ জীবনে নিজেদের গ্রামেই ফিরে এসেছেন তাঁরা। নোবিলি সম্পর্কে কারিল্লির শ্যালকের ভাই। মাঝেমধ্যেই অবশ্য গ্রামের বাইরে গিয়ে তাঁরা নিজেদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *