ভরসা নেই চিনা প্রোডাক্টের! নেপালের পর যুদ্ধ জাহাজ কিনে এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশ

Mysepik Webdesk: এর আগে ঠকেছে নেপাল। তাতেও শিক্ষা হয়নি বাংলাদেশের। বিগত কয়েক দশকে চিন থেকে প্রচুর পরিমান সামরিক অস্ত্রশস্ত্র কিনেছে বাংলাদেশ। যার জন্য প্রায় আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছে দেশটি। সম্প্রতি নৌবাহিনীর জন্য টাইপ 053H3 যুদ্ধ জাহাজ কিনেছে বাংলাদেশ। সেগুলিকে বাংলাদেশের নৌ বাহিনীতে সংযুক্তও করা হয়েছে। আর তাতেই যত বিপত্তি। একের পর এক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে রণতরী-সহ অন্যান্য হাতিয়ারগুলিতে। সেগুলি সারাতে এখন হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তের একেবারে কাছেই আস্ত একটি গ্রাম বানিয়েছে চিন, পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর ভারতের

প্রসঙ্গত, চিনের কাছ থেকে 053H3 যুদ্ধ জাহাজ ছাড়াও বিপুল পরিমান টাকা খরচ করে কে-৮ যুদ্ধবিমান, ট্রেনার বিমান ও সেনাবাহিনীর জন্য মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কিনেছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে সদ্য কেন চিনা সংস্থা ‘Poly Technologies Inc’-এর তৈরি যুদ্ধ জাহাজগুলির ‘ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম’ অর্থাৎ জাহাজের হাতিয়ারগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার যে পদ্ধতি রয়েছে, তাতে একাধিক প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। জাহাজগুলির মূলত জাইরো কম্পাস ও হেলিকপ্টারে জ্বালানি ভরার সিস্টেমেও গোলযোগ দেখা দিয়েছে। এর পাশাপাশি চিন থেকে কেনা DA-40 বেসিক ট্রেনার বিমান, FM-90 মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলিতেও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে COVAXIN -কে স্বীকৃতি দিল WHO

প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে চিনের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি তাকে কয়েকটি বিমান কিনেছিল ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপাল। চিনকে বিশ্বাস করে সেই বিমানগুলি কিনেছিল নেপাল। গত ৮ বছর আগে চিনের সঙ্গে এই বিষয়ে নেপালের একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চিনের কাছ থেকে কেনা ওই ত্রুটিপূর্ণ বিমানগুলিকে বর্তমানে নেপাল ওড়ানোর অনুমতি দিচ্ছে না। মোট ছ’টি বিমানের মধ্যে ১৭ সিট ও ৫৬ সিট বিশিষ্ট দুটি বিমানকে কোনওভাবেই ঝুঁকি নিয়ে ওড়ানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে নেপালের তরফ থেকে। জানা গেছে, ওই বিমানগুলিকে বসিয়ে দেওয়ার ফলে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছে নেপালের সরকার।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *