এবার চিড়িয়াখানায় বিনিয়োগ রিলায়েন্সের

Mysepik Webdesk: ইন্দোনেশিয়ার শিল্পপতি লো টাক নং। তিনি ৪০ লক্ষ ডলার ব্যয়ে একটি চিড়িয়াখানা তৈরি করেছিলেন। তাছাড়াও জর্জিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা অন্যতম ধনকুবের বিডজিনা ইউনিসভিলি কিংবা ফিলিপিন্সের কোটিপতি উইলিয়াম বেলো-ও তৈরি করেছিলেন চিড়িয়াখানা। এবার এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এক ভারতীয় শিল্পপতির নামও। আর সেই শিল্পপতি হলেন মুকেশ আম্বানি। আম্বানি গ্রুপের উদ্যোগের তৈরি হতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম চিড়িয়াখানা । ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিড়িয়াখানাটি তাঁর নিজরাজ্য গুজরাতে আম্বানি তৈরি করছেন, যেখানে তাঁর দল বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিচালনা করে। রিলায়েন্সের কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর পরিমল নাথওয়ানির মতে, ২০২৩ সালে এই চিড়িয়াখানা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। কেবল তাই নয়, স্থানীয় সরকারকে সহায়তা করার জন্য একটি রেসকিউ সেন্টার হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত থাকবে এই চিড়িয়াখানা।

আরও পড়ুন: গালওয়ানে ভারত-চিন সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ৫ চিন সেনার, অবশেষে স্বীকারোক্তি চিনের

Image result for zoo

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (আরআইএল) গুজরাতের জামনগর জেলায় বিশ্বের বৃহত্তম চিড়িয়াখানা তৈরি করবে। গ্রিনজ জুলজিকাল রেসকিউ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কিংডমের ডিটেলড প্রজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) সম্প্রতি কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ (সিজেডএ) দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে, যা আরআইএলের ২৮০ একর জমিতে জামনগরের মোটু খাওয়ারি এলাকার কাছে স্থাপন করা হবে। যা জামনগরের মতি খাওয়াদিতে সংস্থার শোধনাগার প্রকল্পের কাছাকাছি অবস্থিত। চিড়িয়াখানাটিকে আরআইএল চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্র অনিল আম্বানির স্বপ্নের প্রকল্প বলা হচ্ছে। আশা করেন যে, এর নির্মাণ দুই বছরের মধ্যে শেষ হবে।

গ্রিনজ জুলজিকাল রেসকিউ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কিংডম বিশ্বের প্রায় ১০০ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, সরীসৃপ এবং প্রাণী থাকবে। যারমধ্যে শ্লথ ভালুক বা কালো ভালুক, কমোদো ড্রাগন, ভারতীয় নেকড়ে, রোসি পেলিক্যানস, ফিশিং ক্যাট, হরিণ সহ অন্যান্য বিরল এবং আকর্ষণীয় প্রাণীও থাকবে।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে আমেরিকার টেক্সাস শহর, মৃত অন্তত ২১

Image result for mukesh ambani

চিড়িয়াখানায় চিতা, জিরাফ, হাতি এবং আফ্রিকান সিংহ এবং অন্যান্য প্রাণীর পাশাপাশি উটপাখিও থাকবে। সিজেডএ গ্রিনজ জুলজিকাল রেসকিউ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কিংডম-এর জমা দেওয়া মাস্টার লেআউট পরিকল্পনার মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ তার ৩৩তম সভায় ডিপিআরকে অনুমোদন দিয়েছে।

সিজেডএ ওয়েবসাইটে শেয়ার করা চিড়িয়াখানার পরিকল্পনার বিন্যাসে ভারতের অরণ্য, ফ্রগ হাউস, পোকার জীবন, বিদেশি দ্বীপ, গুজরাতের ওয়াইল্ড ট্রেইল সহ বন্যজীবন বিভাগও চিত্রিত হয়েছে। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এম কে দাস গত মাসে অ্যাসোচামের ফাউন্ডেশন উইক উপলক্ষে একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে বলেছিলেন, “গুজরাতে যেমন আমাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি (কেভাদিয়ায় স্ট্যাচু অফ ইউনিটি) রয়েছে, শীঘ্রই আমরা চিড়িয়াখানাও বানাব, এটি অন্যতম বৃহত্তম চিড়িয়াখানা হবে। সংখ্যা ও প্রজাতির দিক থেকে তা হবে সর্ববৃহৎ। খুব শীঘ্রই জামনগরে এ-জাতীয় চিড়িয়াখানা উন্মুক্ত হতে চলেছে।”

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *