উত্তরপ্রদেশকে সাড়ে ৩ কোটি ভ্যাকসিন, বাংলাকে মাত্র ২ কোটি কেন: প্রশ্ন মমতার

Mysepik Webdesk: ভ্যাকসিন বন্টনের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্ন থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কেন্দ্রকে ভ্যাকসিনের ডোজ বন্টন নিয়ে প্রশ্ন করলেন। তিনি প্রশ্ন করেন, যেখানে উত্তরপ্রদেশকে তিন কোটি, মহারাষ্ট্রকে তিন কোটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, সেখানে বাংলাকে কেন মাত্র দু কোটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। মমতার দাবি, শুধুমাত্র ভ্যাকসিনের যোগান কম হওয়ায় রাজ্যে ঠিকমতো টিকাদান কর্মসূচি চালানো যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: কীভাবে পাওয়া যাবে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ফের রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন কেন্দ্রকে এই বিষয়ে চিঠি দিতে। রাজ্যে ঠিকমতো টিকা দেওয়ার কাজ হচ্ছে না, বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভ্যাকসিন পেয়েও রাজ্য সরকার ঠিক মতো তা মানুষকে দিচ্ছে না বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” পাশাপাশি এদিন টিকাদানের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেন বিরোধীদের। তাঁর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ২.১৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া ১.৯৯ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে গিয়েছে। বাকি ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার নিজস্ব উদ্যোগে ৫৯ কোটি টাকা খরচ করে সরাসরি ভ্যাকসিন কিনেছে।

আরও পড়ুন: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্য যে পরিমাণ ভ্যাকসিন পেয়েছে এবং যে সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে,তাতে দেশের মধ্যে বাংলা এক নম্বরে রয়েছে। তবুও অন্যান্য রাজ্য বাংলার থেকে অনেক বেশি ভ্যাকসিন পাচ্ছে। তাঁর কথায়, “উত্তর প্রদেশ সাড়ে ৩ কোটি ডোজ, মহারাষ্ট্র ৩.১২ ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছে। এমন কি, গুজরাত, রাজস্থানের মতো বাংলার থেকে ছোট রাজ্যও আমাদের থেকে বেশি ভ্যাকসিন পেয়েছে। সে পাক আমার তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু কেন আমরা এক কোটি ভ্যাকসিন কম পাব? বাংলাকে এরা বদনাম করে, বাংলাকে ভ্যাকসিন দেয় না আবার বড় বড় কথা।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *