দু’বারের অলিম্পিয়ান প্রাক্তন ভারতীয় গোলকিপার এস এস ‘বাবু’ নারায়ণ প্রয়াত

Mysepik Webdesk: দু’বারের অলিম্পিয়ান শংকর সুব্রহ্মণ্যম ওরফে ‘বাবু’ নারায়ণ বৃহস্পতিবার প্রয়াত হয়েছেন। শংকর সুব্রহ্মণ্যম ১৯৫৬ মেলবোর্ন এবং ১৯৬০ রোম অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের গোলকিপার ছিলেন। মৃত্যুকালে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তাঁর পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। শংকর সুব্রহ্মণ্যম রেখে গেলেন মেয়ে লক্ষ্মী ও জানকী এবং ছেলে মুরলীকে।

আরও পড়ুন: ৪১ বছর পরে হকিতে মেডেল এলো ভারতের: এখন প্রশ্ন একটা না দু’টি?

মেলবোর্ন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে বুলগেরিয়ার বিরুদ্ধে এস এস নারায়ণের সেভ।

ফুটবল এবং বাস্কেটবলে মহারাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি নারায়ণ ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। ১৯৫৬ সালের অলিম্পিকে ভারত ফুটবলে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল। সেই দলের গোলকিপার ছিলেন নারায়ণ। এছাড়াও বর্ষীয়ান এই গোলরক্ষক ১৯৬৪-র এএফসি এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। কেরালার পলক্কাদ জেলায় জন্মেছিলেন প্রাক্তন এই কিংবদন্তি ভারতীয় তারকা। তিনি মাতুঙ্গা স্টুডেন্ট (১৯৫৯-৫২), ইন্ডিয়ান জিমখানা এফসি (১৯৫২), মাতুঙ্গা এসি (১৯৫৪-৫৫), ক্যালটেক্স বোম্বাই (১৯৫৫-৫৮), টাটা স্পোর্টস ক্লাব (১৯৫৮-৭০) প্রভৃতি ক্লাবের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ১৯৬৪ সালের সন্তোষ ট্রফি জয়ী মহারাষ্ট্র দলের গোলকিপার ছিলেন এহেন নারায়ণ। এর আগে অবশ্য ১৯৫৬ সালে বোম্বের হয়ে সন্তোষ ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন এস এস ‘বাবু’ নারায়ণ।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পুরুষ হকি দলকে অভিনন্দন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ভবানী দেবীর

‘বাবু’ নারায়ণের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে প্রথম শ্রেণির সংবাদমাধ্যমকে এআইএফএফ সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল বলেছেন, “ভারতীয় ফুটবলে তাঁর অবদান কখনও ভোলার নয়। আমি মর্মাহত।” উল্লেখ্য, ১৯৫৮ সালে এশিয়ান গেমসে চতুর্থ স্থানে থাকা ভারতীয় দলের অংশও ছিলেন এস এস ‘বাবু’ নারায়ণ। তাঁর মৃত্যুর খবরটি সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সপক্ষে আনে। থানেতে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। এআইএফএফ তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, “সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন ভারতীয় জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক এস এস ‘বাবু’ নারায়ণের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে। তিনি বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের থানেতে প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে রেখে গিয়েছেন তিনি।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *