তামিলনাড়ুর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন: পিরামালাই জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং ফরওয়ার্ড ব্লক

এন বিনোদ কুমার

তামিলনাড়ুতে জাতি এবং উপজাতির কারণে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব পড়ে। এবারও সংখ্যাগরিষ্ঠ দ্রাবিড়দের মধ্যে এআইএডিএমকে এবং ডিএমকে মানুষের সমর্থন পাওয়ার সম্পূর্ণ চেষ্টা করছে। এইবার দক্ষিণ তামিলনাড়ুতে শুধু ডিএমকে-ই নয়, এআইএডিএমকে-ও পিরামালাই কাল্লারদের দাবিপূরণ না করার ফল ভুগছে। জনসমর্থন হারানোর সমস্ত সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে। এই জনজাতির তিনটি প্রধান দাবি ছিল— ১) তাদের আবার একটি আলাদা জনজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, ২) ৫৮ খাল প্রকল্পের মাধ্যমে ভাইগাই বাঁধ থেকে গুন্দর জলভূমিতে জলের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ৩) ১৯২০-তে পেরুঙ্গামানাল্লুর অঞ্চলে পুলিশের গুলিতে মৃত ১৬ জনকে শহিদ সম্মান দিতে হবে।

আরও পড়ুন: এই টুম্পা, ব্রিগেড চল!

এই ক্ষেত্রে ডিএমকে তাদের প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। মাদুরাইয়ের সাংস্কৃতিক লেখক স্তালিন রাজাঙ্গমের মতে, এটা নতুন কিছু নয়। সেই ১৯৫৭-তে যখন ডিএমকে প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে নামে, তখন থেকেই দক্ষিণাঞ্চল থেকে সেরকম কোনও প্রতিনিধি ছিল না। সেবার বিজয়ী ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনই ছিল উত্তরাঞ্চলের প্রতিনিধি। বলা হয় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ তাদের মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। তারা উৎসব, সাহিত্য ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। সাহিত্য এবং চলচ্চিত্র জগতের বেশিরভাগ মানুষই দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসেন। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের মানুষ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠালাভ করেছেন।

এরপরই যখন এমজিআর এআইএডিএমকে শুরু করেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ তাদের বিপুল পরিমাণে সমর্থন করেন। এমজিআর স্বয়ং প্রত্যেকবার পশ্চিম মাদুরাই এবং আন্দিপাত্তি থেকে ভোটে দাঁড়াতেন। শুধু ১৯৭৭-এ আরুপ্পুকোট্টাই থেকে নির্বাচন লড়েছিলেন। এর ফলেই এআইএডিএমকে থেবারদের থেকে ভোট সংগ্রহ করতে পেরেছিল। মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা আই পান্ডিয়ানের মতে শশীকলা আসার পরই জয়ললিতার কাছে মুক্কুলাথোর জনজাতির ভোট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: মাতৃভাষা দিবসে ‘ভাইরাল’ উত্তম-কিশোর স্মৃতিমাখা গানের দৃশ্য প্রসঙ্গে

২০০১-এ যখন জয়ললিতা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, শশীকলা নিজের প্রভাব খাটিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বদলে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেন। এই সময় তিনি মুক্কুলাথোর এবং থেবার জনজাতিদের নিজের দলে টেনেছিলেন। তাদের বশে আনার জন্য এআইএডিএমকে-র একজন যোগ্য আলোচক ছিল। কিন্তু ডিএমকে-র কাছে সেরকম কেউ ছিল না। এখন যেহেতু শশীকলা আর ভোটের দৌড়ে নেই, কাল্লার জনজাতিও তাই এআইএডিএমকে নিয়ে বর্তমানে অখুশি। গ্রামের মানুষ এখন ধিনাকরণকে ভোট দিতে ইচ্ছুক। ধিনাকরণ পিরামালাই কাল্লার জনজাতির মানুষ নন। কিন্তু পেরিয়াকুলামের সংসদ থাকাকালীন ১৯৯৯ এবং ২০০৪-এ তিনি এই অঞ্চলে ভালো কাজ করেছিলেন। এইখানে তিনি কমিউনিটি হল স্থাপনা করেছিলেন। তাই পৃথার মতে, মানুষের মনে তার জন্য জায়গা অক্ষুণ্ণ আছে। কিন্তু রাজনৈতিক চিহ্ন নিয়ে অনেকেই অবগত নন। তারা ভুল চিহ্নে ধিনাকরণের বদলে এআইএডিএমকে-কে ভোট দিয়ে ফেলতে পারেন।

ডিএমকে-র সঙ্গে কাল্লারদের সম্পর্ক

অদ্ভুতভাবেই তামিলনাড়ুর উল্লেখযোগ্য পার্টি ডিএমকে কখনোই দক্ষিণাঞ্চলে বেশি পৌঁছনোর চেষ্টা করেনি। থেবানের মতে, দ্রাবিড়ীয় প্রতিবাদ কাল্লারদের জন্য প্রযোজ্য নয়। এই প্রতিবাদী ধারায় যা কিছু করা হয়েছে, যেমন— বিধবা বিবাহের প্রচলন, বিবাহবিচ্ছেদ, ব্রাহ্মণদের গুরুত্ব কমানো— এই সবই কাল্লারদের মধ্যে আগে থেকেই প্রচলিত ছিল। পেরিয়ার যদি ক্রিমিনাল ট্রাইবস অ্যাক্টের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে লড়তেন, তাহলে হয়তো ফলাফল অন্যরকম হত।

আরও পড়ুন: ভাষার মাস কেন নয় ফাল্গুন

https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/1/1d/Officiallogodmk.jpg/1200px-Officiallogodmk.jpg

আরেকটি কারণে এই পিরামালাই কাল্লাররা ডিএমকেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট। ভান্নিয়ারদের ১৯৮৭-র প্রতিবাদের ফলে যখন এমবিসি ক্যাটেগরি তৈরি হল, মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি ২০% সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু এখানে ভান্নিয়ার ছাড়াও আরও ১০৭টি জনজাতিকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়, যার মধ্যে ৬৮টি হল ডিএনটি উপজাতি। ডিএনটি-দের আলাদা সংরক্ষণ না দেওয়ার ফলে, তারা এই এমবিসি ক্যাটেগরির অন্তর্ভুক্তি মানতে চায়নি। থেবান জানাচ্ছেন যে, ডিএমকে অন্যভাবে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেছে। তারা বিভিন্ন বিদ্যালয় তৈরি করে দিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লকের বিশিষ্ট নেতা পিএন ভাল্লারাসু এই সময় দাবি করেছিলেন যে, নিম্ন বিদ্যালয় এবং শ্রেণিতে যেন শুধুমাত্র পিরামালাই কাল্লার জাতির মানুষদেরই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

কাল্লারদের জন্য ফরোয়ার্ড ব্লক

এই জনজাতির জন্য এই পার্টি কী করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তা জানতে ইতিহাস দেখা প্রয়োজন। একসময় এই জনজাতিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো কেউ ছিল না। ব্রিটিশরা সব সময় তাদের ব্যবসা বাড়ানোর জন্য দমন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। যখন ১৮৭০-এ নুন আইন হয় (সল্ট ট্যাক্স), এই অঞ্চলের উপ্পু কুরাভার জনজাতি তাদের নুন তৈরি করার অধিকার হারায়। এরা পরবর্তীতে রেল ডাকাত হয়ে ওঠে এবং নুনের জন্য লুটপাট চালাতে শুরু করে।

থেবানের মতে, এই একই ব্যাপার ১৯১৪-তে ঘটে। সেই বছর পিরামালাই কাল্লারদের একটি অঞ্চল, কিঝাকুইলকুদিতে ক্রিমিনাল ট্রাইব অ্যাক্ট চালু করা হয়। এর ফলে এই জনজাতির বহু মানুষ বিপদে পড়েন। ১৯১৮-তে এই অ্যাক্ট মাদুরাই এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও প্রয়োগ করা হয়। ১৯২০ সালে মানুষ এর বিরোধিতায় সরব হয়। পেরুঙ্গা মানাল্লুর গ্রামের উসিলামপট্টিতে ব্রিটিশরা তাদের আঙুলের ছাপ নিতে জোর করে। বহু মানুষ এর বিরোধিতা করে পালানোর চেষ্টা করেন। ব্রিটিশদের গুলিতে ১৬ জন মারা যান। এই বছর এই ঘটনার ১০০ বছর পূর্ণ হবে।

আরও পড়ুন: ‘দেশভাগ: ঐতিহাসিকতা, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাটক’ বিষয়ে ওয়েবিনার, আয়োজনে চিত্তরঞ্জন কলেজ

পৃথা ২০১৯-এ মায়াক্কাল ওমেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেন। সেই ১৬ জনের একজন ছিলেন মহিলা— মায়া ক্কাল। পৃথা এখন এই প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, যাতে মানুষ নিজেদের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত থাকেন। পেরিয়ার যদি ক্রিমিনাল ট্রাইবস অ্যাক্টের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে লড়তেন, তাহলে হয়তও ফলাফল অন্যরকম হত। আরেকটি কারণে এই পিরামালাই কাল্লাররা ডিএমকে-কে নিয়ে অসন্তুষ্ট। ভান্নিয়ারদের ১৯৮৭-র প্রতিবাদের ফলে যখন এমবিসি ক্যাটেগরি তৈরি হল, মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি ২০% সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু এখানে ভান্নিয়ার ছাড়াও আরও ১০৭টি জনজাতিকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়, যার মধ্যে ৬৮টি হল ডিএনটি উপজাতি। ডিএনটি-দের আলাদা সংরক্ষণ না দেওয়ার ফলে, তারা এই এমবিসি ক্যাটেগরির অন্তর্ভুক্তি মানতে চায়নি।

থেবান জানাচ্ছেন যে, ডিএমকে অন্যভাবে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেছে। তারা বিভিন্ন বিদ্যালয় তৈরি করে দিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লকের বিশিষ্ট নেতা পিএন ভাল্লারাসু এই সময় দাবি করেছিলেন যে, নিম্ন বিদ্যালয় এবং শ্রেণিতে যেন শুধুমাত্র পিরামালাই কাল্লার জাতির মানুষদেরই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ১৯৩৩-এ এই শর্ত রামানাথাপুরম-এর আপ্পানাদু কোন্ডায়ামকোট্টাই মারাবারদের ওপরও চাপিয়ে দেওয়া হয়। মুথুরামালিঙ্গম পাসুমপোন গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং পড়াশোনা শেষ করেন। তাঁর অনেক বন্ধু, যাঁরা ছিল পিরামালাই কাল্লার জাতির মানুষ, তাঁরা এই আইনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন। তাঁর এই প্রতিবাদের ফলেই, মারাবার উপজাতিদের ওপর এই আইন চালু করা আটকানো গিয়েছিল। পিরামালাই কাল্লার গোষ্ঠী তাঁকে একজন নেতার সম্মান দেয়। ১৯৩৭-এর নির্বাচনে মুথুরামালিঙ্গম রামনদ-এর রাজার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের পক্ষে ভোটে লড়েছিলেন।

আরও পড়ুন: মনবীর সিং: একটি ট্যুইট, দু’টি গোল এবং ক’টি প্রশ্ন

১৯৪০-এ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৯৪৫ অবধি তিনি জেলে কাটান। এরপর তিনি ফরোয়ার্ড ব্লক পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৪৬-এর নির্বাচনে তিনি কথা দিয়েছিলেন যে, তিনি সরকারকে বাধ্য করবেন এই আইন প্রত্যাহার করতে। কথা অনুযায়ী, তার জন্যই সরকার এই আইন প্রত্যাহার করে। ১৯৪৮এ ফরোয়ার্ড ব্লক নিজস্ব প্রতীক পায়— সিংহ চিহ্ন। থেবান জানাচ্ছেন যে, এই ভাবেই মুথুরামালিঙ্গম থেবারদের নায়ক হয়ে ওঠেন কারণ তিনি তাঁর কথা রেখেছিলেন এবং মানুষের উপকার করেছিলেন।

আরও পড়ুন: অং সান সু কি-র ক্ষমতাচ্যুতি: এক অনিবার্য রাজনৈতিক সমীকরণের পরিণতি?

ফরোয়ার্ড ব্লক এই মুহূর্তে পিরামালাই কাল্লারদের পূর্ণ সমর্থন পায়। এর কারণ তারা কাল্লার উপজাতি এবং থেবার উপজাতির মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে আগামুদায়ার, মারাবার এবং অন্যান্য উপজাতির মতভেদের কারণে তারা ক্ষুদ্র এবং সীমিত। আঞ্চলিকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। উসিলামপাট্টি লোকসভা কেন্দ্রে ডিএমকে মাত্র ১ বার জিতেছে এবং এআইএডিএমকে ৩ বার জিতেছে। কিন্তু অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক এই আসনে ৫ বার জয়লাভ করেছে। দু’জন পিরামালাই কাল্লার নেতা, মুখিয়া থেবার (১৯৫৭) এবং পিকেএম মুথুরামালিঙ্গম (১৯৮৪) নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন।

কীভাবে অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক কাল্লারদের সাহায্য করেছিল

ক্রিমিনাল ট্রাইব আইনের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার কারণেই মুথুরামালিঙ্গমের প্রতি কাল্লারদের আনুগত্য অত্যন্ত গভীর। তারা সবসময় অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক-কে ভোট দিয়ে এসেছে। পিকে মুখিয়া থেবার-এর প্রচেষ্টার কারণে তারা এই রাজনৈতিক দলটিকে সবসময়েই সমর্থন করেছে। এই প্রদেশে রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কাজ করা সমাজবিজ্ঞানী এম ভুবানেশরণের মতে, এই অঞ্চলে প্রায় ১৫টি ফরোয়ার্ড ব্লক পার্টি আছে। কিন্তু আসল অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক সেইটাই যার বর্তমান প্রধান সচিব হলেন দেবব্রত বিশ্বাস।

আরও পড়ুন: ‘সুভাষকে বোঝা শক্ত’, দেশগৌরব সুভাষচন্দ্র ও তাঁর ভাবনা

পাপ্পাপাট্টি কাট্টামুথু মুখিয়া থেবারের জন্ম ৪ এপ্রিল ১৯২৩। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লকের সদস্য ছিলেন। মাদুরা কলেজে পড়াকালীন তিনি ছাত্রনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে পড়াশোনা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। এই সময়েই তাঁর দুই বন্ধু, সি রাঘুপাতি থেবার এবং কামানা থেবার তাঁর সঙ্গে মুথুরামালিঙ্গম থেবারের পরিচয় করিয়ে দেয়। মুথুরামালিঙ্গম তাঁর সঙ্গে কথা বলেই স্থির করেন যে মুখিয়ার মাদুরাইয়ের পেরিয়াকুলাম থেকে নির্বাচন লড়া উচিত।

আরও পড়ুন: শতাব্দী পেরিয়ে ভ্যাকসিনের ইতিকথা: স্মলপক্স-বিসিজি থেকে করোনার ভ্যাকসিনের দিকে ভারত

১৯৫২ থেকে মুখিয়া থেবার পেরিয়াকুলাম থেকেই নির্বাচন লড়েছেন। পরে এই আসনটি উসিলামপাট্টি নামে পরিবর্তিত হয়। তিনি টানা ৬ বার জয়লাভ করেন। তিনি রামানাথাপুরমেও জয়লাভ করেন। মুখিয়া জানতেন যে, ক্রিমিনাল ট্রাইব হিসেবে তারা কতটা কষ্ট সহ্য করেছেন। তিনি এই অঞ্চলের উন্নতির জন্য মুথুরামালিঙ্গমের নামে বহু বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তার সম্মানে মাদুরাইয়ের গোরিপালায়ামে মুথুরামালিঙ্গমের মূর্তি স্থাপিত হয়। ৩০ অক্টোবর, মুথুরামালিঙ্গমের জন্ম এবং মৃত্যুবার্ষিকীতে থেবার-জয়ন্তীর প্রচলন করেন মুখিয়া। এই সব কারণের জন্যই উসিলামপাট্টিতে পিকে মুখিয়া থেবারের ছবি বিভিন্ন মন্দিরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

thefederal.com-এ Why AIADMK enjoyed support while DMK lacked presence in south TN নামে প্রকাশিত লেখাটির ভাষান্তর করেছেন অনিন্দ্য বর্মন

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *