কাবুল থেকে ইসলামাবাদ উড়ে গেল মার্কিন সামরিক বিমান, সোশ্যাল মিডিয়ায় পাক নেটিজেনদের তুলোধোনা ইমরান খানকে

Mysepik Webdesk: ৩০ আগস্ট রাতে আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দর থেকে উড়ে বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক বিমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এখান থেকে আমেরিকান সৈন্যরা বেরিয়ে এসে বড় হোটেলে পৌঁছেছিলেন। এখন পর্যন্ত এই সৈন্যদের এখানে রয়েছেন বলে খবর। ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে উপস্থিত মার্কিন সেনাদের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়েছিল। এর পরে পাক নেটিজেনরা তাঁদের উজির-ই-আজম অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ইউ-টার্ন নেওয়ার ব্যাপারে চর্চা শুরু করে দেন। এর কারণও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত। ইমরান কয়েক মাস আগে জানিয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকাকে কোনও এয়ারবেস বা অন্য কোনও সুবিধা দেবেন না। যদিও, এবার দেখা গেল অন্য চিত্র। আমেরিকার সামনে মাথা নত করতে হল তাঁকে।

আরও পড়ুন: তালিবানের বিরুদ্ধে ফের যুদ্ধের হুংকার প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

৩০ আগস্ট রাতে কাবুল বিমানবন্দর থেকে যে মার্কিন সামরিক বিমানগুলি সরাসরি ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করে, সেই বিমানের সেনারা ইউনিফর্ম পরে ছিল। মিডিয়াকে এখান থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আমেরিকান সৈন্যদের সঙ্গে প্রচুর সরঞ্জামও ছিল। কিছু সময় বিমানবন্দরে থাকার পর তাঁরা ইসলামাবাদের হোটেলে পৌঁছন। বেশ কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী, পঞ্জাব প্রদেশের পুলিশের বিশেষ স্কোয়াড তাঁদের নিরাপত্তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে শেষ হল দীর্ঘ ২০ বছরের মার্কিন সামরিক অভিযান

উল্লেখ্য যে, ‘Absolutely not’-এর হ্যাশট্যাগগুলি পাকিস্তানে এখন ট্রেন্ড। কীভাবে ইউ টার্ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নামকে সার্থক করে তুলেছেন, সে-কথাই নেটিজেনরা বলছেন। এতে সুপরিচিত সাংবাদিক ছাড়াও আমজনতাও শামিল রয়েছেন। জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসেডেন্ট হওয়ার পর সমস্ত রাষ্ট্রপ্রধানকে ডেকেছিলেন, কিন্তু ইমরানকে নয়। কেবল তাই নয়, যখন সিআইএ প্রধান এবং অনেক আমেরিকান শীর্ষ অফিসার পাকিস্তানে আসেন, তখন তাঁরা সেনাবাহিনী এবং আইএসআই প্রধানের সঙ্গে দেখা করেন, কিন্তু ইমরানের দিকে ফিরেও তাকাননি। আর এবার যখন আমেরিকান সৈন্যরা ইসলামাবাদে পৌঁছেছিলেন, তখন একজন ইউজার সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “পারভেজ মোশাররফের যুগের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।” অন্যদিকে, ‘আরব নিউজে’র সিনিয়র সাংবাদিক জাভেদ হাসান লিখেছেন, “কোনও কিছু বলার আগে চিন্তাভাবনা করেই বলা উচিত।” তৈমুর রহমান লিখেছেন, “অ্যাবসোলিউটলি নট-এর পরিণতি ইসলামাবাদ বিমানবন্দরের দিকে দেখুন।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *