জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে কী কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী

Mysepik Webdesk: আগেই জানিয়েছিলেন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একথা জানানো হয়েছিল। সেইমতো এদিন তিনি বলেন, করোনায় অনেকেই নিজেদের পরিজনদের হারিয়েছেন। সেইসব পরিবারের উদ্দেশ্যে সমবেদনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এদিন তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, “আধুনিক বিশ্বে এরকম মহামারী কেউ দেখেনি। গোটা দেশ একসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে। কোভিড হাসপাতাল থেকে টেস্টিং ল্যাব তৈরি হয়েছে। নতুন স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে।” তিনি বলেন, এর আগে ভারতের ইতিহাসে কোনও দিন এত বেশি মেডিক্যাল অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। ১০০ শতাংশ তরল অক্সিজেন তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। জরুরি ওষুধ তৈরি কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে” এদিন প্রধানমন্ত্রী সকল দেশবাসীকে করোনা রুখতে কোভিড প্রোটোকল মেনে চলার কথা বলেন।

আরও পড়ুন: মাত্র ৫০০ টাকায় দু’টি ডোজ, বাজারে আসছে নতুন ভ্যাকসিন CORBEVAX

করোনা মোকাবিলায় ভ্যাকসিনের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেন, “ভ্যাকসিন হল আমাদের সুরক্ষা কবচ। সারা বিশ্বে যতটা পরিমাণ ভ্যাকসিন দরকার, সেই তুলনায় অনেক কম ভ্যাকসিন তৈরি করতে সক্ষম প্রস্তুতকারী সংস্থা। এর আগে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আমদানি করতে বহু সময় লেগে যেত। আগে পোলিও, স্মল পক্স, হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন পেতে বহু দেরী হয়েছে। ভারতে আগে ভ্যাকসিনেশন হত মাত্র ৬০ শতাংশের। ১০০ শতাংশ টিকাকরণে ৪০ বছর লেগে যায়।” তাঁর কথায়, “মিশন ইন্দ্রধনুষের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণ করা যাবে। আমরা এই মিশন নিয়ে কাজ করেছি। মাত্র ৫-৬ সালের মধ্যে টিকাকরণে ৬০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ করা হয়েছে। আগে শিশু, দরিদ্রদের নিয়ে চিন্তা ছিল, যাঁদের টিকাকরণ হতই না। ঠিক এই সময়েই করোনা মহামারীর আকারে এল।”

আরও পড়ুন: আরও কমল দেশজুড়ে দৈনিক করোনা সংক্রমণ, আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের সদিচ্ছা সঠিক ছিল, তাই এক বছরের মধ্যে ভারতে দুটি ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। বিশ্বে অন্যান্য দেশের থেকে এখন আর ভারত পিছিয়ে নেই। ভারতে ২৩ কোটির বেশি মানুষের টিকাকরণ হয়েছে। আমাদের প্রয়াস সফল হয়েছে, কারণ আমাদের বিশ্বাস ছিল। টিকাকরণের জন্য টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থাকে সবরকম ভাবে সাহায্য করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার সবসময় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে ছিল। ৭টি সংস্থা বিভিন্ন ভ্যাকসিন তৈরি করছে। বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন কেনার চেষ্টা করা হয়েছে।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *