বিশ্ব টেস্ট চ্যম্পিয়নশিপ ফাইনাল শুরুর আগে কী বলছেন ভারতীয় ইশান্ত-শামি-অশ্বিন

Mysepik Webdesk: ১৮ জুন থেকে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ জিততে গেলে দলকে দিতে হবে শতভাগের বেশি। এমনটাই জানিয়েছিলেন ভারতীয় ফাস্ট বোলার মহম্মদ শামি। তিনি bcci.tv-কে বলেন, “আমাদের এই ম্যাচে আমাদের ১১০ শতাংশ দিতে হবে। আমি এটি বলছি কারণ, দুই বছরের কঠোর পরিশ্রমের এটি শেষ প্রচেষ্টা হবে। আগামী দিনে আমাদের দ্বিগুণ প্রচেষ্টা করতে হবে।” দলের আরও একজন ফাস্ট বোলার ১০১টি টেস্ট ম্যাচ খেলা ইশান্ত শর্মা জানিয়েছেন যে, বলেছেন যে ডব্লিউটিসি ফাইনাল তাঁর জন্য একটি আবেগময় সফর। ইশান্ত শর্মা বলেন যে, “আমার কাছে খুবই আবেগের এই বিশ্ব টেস্ট ফাইনালের সফর। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) টুর্নামেন্ট এবং ফাইনাল ম্যাচ। বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো।”

আরও পড়ুন: ‘ক্লে কোর্টের রাজা’র রাজত্বের অবসান, ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে জোকোভিচ

তিনি আরও বলেন, “অধিনায়ক বিরাট কোহলি সবসময় বলে এসেছেন যে, এটি এক মাসের প্রচেষ্টা নয়, দুই বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল। যা আমাদের পক্ষে কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে আরও বেশি, কারণ এই সময়ের মধ্যেই করোনাভাইরাসের কারণে সাময়িকভাবে খেলাধুলা বন্ধ ছিল। এরপর ডব্লিউটিসি ফাইনালের নিয়মগুলি পরিবর্তিত হওয়ায় আমাদের উপর চাপ বেড়ে গিয়েছিল।” ইশান্ত শর্মার কথায়, “অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের একটা শক্ত সিরিজ ছিল। সেই সিরিজ আমরা ২-১ ব্যবধানে জিতেছি। আমি ওই সিরিজের অংশ ছিলাম না। তবে আমি মনে করি, এই সিরিজটি একটি ভিন্ন ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা ৩-১ ব্যবধানে জিতেছিলাম। আমরা প্রথম টেস্ট হেরেও দারুণ প্রত্যাবর্তন করেছিলাম।”

আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা সফরে ছয় নতুন মুখ দেখা যাবে টিম ইন্ডিয়ায়

টিম ইন্ডিয়ার অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেছেন, “আমি মনে করি দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটাররা এমন একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে চেয়েছিল অনেক বছর ধরেই। আমি ফাইনাল ম্যাচের অপেক্ষায় রয়েছি।” অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের পরিবেশ নিয়ে শামি বলেন, “দেখুন, আগেও এখানে খেলেছি। এমন পরিবেশে অভিজ্ঞতা একটা বড় ভূমিকা পালন করে। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই মাঠে নামব।” আর ইশান্ত বলেছেন, “এখানকার আকাশ মেঘলা থাকে। সবসময় হাওয়া দেয়। আবহাওয়াও পরিবর্তিত হয়। সঙ্গে রয়েছে ঠান্ডা। বল সুইং করে। তাছাড়া ভারতের উইকেটে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন বল রিভার সুইং করে। ইংল্যান্ডে কিন্তু বিষয়টা আলাদা। এরসঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *