যশ মোকাবিলায় বাংলাকে ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় কম টাকা কেন? অমিত শাহকে প্রশ্ন মমতার

Mysepik Webdesk: সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে যশ ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, “খবর রয়েছে, আমফানের থেকেও বড় হতে চলেছে যশ। জীবনের ঝুঁকি নেবেন না। মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে যাবেন না। বিভিন্ন ব্লকে রিলিফ সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। ১০ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় ৫১টি দল তৈরি করা হয়েছে।”

আরও পড়ুন: ঝড়ের সময় বিদ্যুতহীন হয়ে পড়তে পারে শহরের একাধিক এলাকা, আগেভাগে জানাল CESC

এদিন ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। সেই বৈঠকে অমিত শাহ জানান, কোন কোন রাজ্যকে কত টাকা করে সাহায্য করা হবে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “যশ নিয়ে অমিত শাহবাবু আজ বৈঠক করেছেন। ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে টাকা দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাকে ৪০০ কোটি করে টাকা দিচ্ছে। বাংলা এত বড় রাজ্য, জনসংখ্যা এত বেশি, জেলাও বেশি, তাহলে আমরা কেন বঞ্চিত হচ্ছি? গতবার তো আমফানের টাকাও পেলাম না।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, “ওড়িশা বা অন্ধ্রপ্রদেশ তাদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছে। এই নিয়ে আমাদের কোনও আক্ষেপ নেই। কিন্তু বার বার কেন বাংলাকেই বঞ্চিত হতে হবে?”

আরও পড়ুন: আমফানের চেয়েও বড় ‘যশ’, রাজ্যবাসীকে সতর্কবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এদিকে যশের মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, সাগর, বাসন্তী, গোসাবা এবং ডায়মন্ড হারবারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও নামখানা, মথুরাপুর, পাথরপ্রতিমায় পাঠানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ও হাসনাবাদে এবং ব্যারাকপুরে এসডিআরএফ টিম মোতায়েন রাখা হয়েছে। ২০টি স্যাটেলাইট ফোন এবং ২৫টি ড্রোনের মাধ্যমে চালানো হবে নজরদারি। বেশি পরিমান ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে এমন এলাকায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ত্রিপল, সাবান, চাল, ডাল, বেবিফুড।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *