কলা কেন খাবেন, কেন চাষ করবেন?

ড. কল্যাণ চক্রবর্তী

ফল হিসাবে কলার গুরুত্ব কেন বেশি?

গড় ভারতবাসীর খাদ্য নিরাপত্তা এলেও পুষ্টি নিরাপত্তা এখনও আসেনি। রোজ পূর্ণবয়স্ক মানুষকে ৮৫ থেকে ১২০ গ্রাম ফল খেতে হবে। ক’জনের ভাগ্যে তা জোটে? কারও ভাগ্যে হয়তো ছিটেফোঁটা জোটে। তিন দশক আগেও দেখেছি ফল দেওয়া হত কেবল নৈবেদ্যে। রোগী আর শিশুকে কিছুটা পরিবেশিত হত। ব্রতপার্বণ ও পুজোয় অংশগ্রহণ করে ভারতবর্ষের নারী সমাজ সারাদিন উপবাস করে হয়তো কয়েক টুকরো ফল প্রসাদ পেতেন।

আরও পড়ুন: প্লাজমা-পোয়েম-প্রেয়ার একসূত্রে গেঁথেছে জগদীশ-রবি ঠাকুর-স্বামীজিকে

ফলগাছের যত্ন তেমন নেওয়া হত না। ফলগাছ নির্লজ্জ বেহায়ার মতো বেড়ে উঠত। অথচ বাংলা প্রবাদ প্রচলিত ছিল, “বারো মাসে বারো ফল/ না খেলে যায় রসাতল।” দু’শো বছরে কি ইংরেজরা আমাদের খাবার পাতে Dessert fruit খাওয়া শেখাল না? ওদের কাছে আমরা শিখলাম না! আসলে বাঙালি নিয়মিত ফল খেত। দেশভাগ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু জমির পরিমাণ হ্রাস ইত্যাদি কারণে বাঙালি ফলচাষে নজর দিতে পারেনি। তারপর অনেক দিন বাদে আটের দশকে বাঙালি শুরু করল সিঙ্গাপুরি কলার চাষ। বেঁটে জাতের কলা, ঘন চাষ, ছোট জমিতে লাভজনক ফসল। দামে সস্তা, গরিবরাও ফল খেতে শুরু করল, তা হচ্ছে কলা।

আরও পড়ুন: বিমানবন্দর না সবজি-মান্ডি?

কিন্তু কলাকে Dessert Fruit ভাববেন না; তাকে অত্যাবশ্যকীয় খাবার মনে করুন। পরিশ্রমী, কৃষিজীবী, শ্রমজীবী, বুদ্ধিজীবী মানুষ কলা খান। ১০০ গ্রাম কলায় ৯০ ক্যালোরি এনার্জি পাবেন। তা দ্রুত শরীরে প্রবেশ করে। কোথায় পাবেন এমন অমূল্য স্বল্পমূল্যের ফল? এতে রয়েছে সহজ শক্তিদায়ক শর্করা; ডায়েটারি ফাইবার যা কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করে; রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স; পটাশিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম। কলা খেতে পারেন প্রেসারের রোগী, ডিপ্রেশনের রোগী, গর্ভবতীরা। মানসিক স্ট্রেস কাটবে, হার্টস্ট্রোকও দূর হবে। কলার পাকা ফল ছাড়াও কলাগাছের নানান লোকায়ত ব্যবহার রয়েছে। কলাফুলের রস খেলে আমাশয় দূর হয়, কলাগাছের রস প্রদান করে কলেরা রোগীকে সবল করা হয়, কলার থোড়ের রসে কিডনির পাথর দ্রবীভূত হয়। নিয়মিত কলা খেলে ঘুমের সমস্যা থাকে না।

আরও পড়ুন: আলু নিয়ে আলুথালু

কলার উন্নত জাত

ক্যাভেনডিস বা সিঙ্গাপুরি/ বেঁটে জাত: জায়েন্ট গভর্নর, রোবাস্টা, কাবুলি, গ্র্যান্ড নাইন।

সিল্ক গ্রুপ বা হলুদ কলা/ মাঝারি জাত: মর্তমান, মালভোগ, পুভান বা চাঁপা, চিনিচাঁপা।

লম্বা জাত: কাঁঠালি, বাইশা, বাগদা, বিচিকলা।

কাঁচাকলা: বেহুলা, বাইশ ছড়া, গ্রিন বোম্বাই, ফিয়া।

বীজের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে কলার শ্রেণিবিভাগ এইরকম—

ক. সম্পূর্ণ বীজমুক্ত: সবরি, অমৃতসাগর, অগ্নিশ্বর, দুধসর, দুধসাগর।

খ. দুই একটি বীজযুক্ত: চম্পা, চিনিচম্পা, কবরী, চন্দন কবরী, জাবকাঁঠালী।

গ. বীজযুক্ত: এঁটে কলা (বতুর আইটা, গোমা, সাংগী আইটা)।

পশ্চিমবঙ্গে আগে চাষ হত চাঁপা (চিনিচম্পা), কাঁঠালি (ঠোঁটে), হনুমান জটা, মনুয়া, মালভোগ (সবরীকলা), বিচিকলা (আটিয়া)। যার ফলে রাজ্যে কলার ফলন কম ছিল। ’৮০-র দশকে নদিয়া জেলাতে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সিঙ্গাপুরি জাতের কলা চাষ হয়। ’৯০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গে ক্যাভেনডিস ব্যানানা-র ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে। এখন উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে বাণিজ্যিকভাবে সাফল্যের সঙ্গে কলা চাষ হচ্ছে। জি৯ বা গ্র্যান্ড নাইনি জাতে অর্থকরীভাবে ফলন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। এটি বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় জাত। এ-রাজ্যে গাছপ্রতি ফলন ২৫-৩০ কেজি, কোয়েম্বাটুরে ৪৫ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া গেছে। হেক্টরে সচরাচর ফলন ৬০-৬৫ টন। লম্বা, হালকা সবুজ রঙের কলা, গাছের উচ্চতা ২.৫-৩ মিটার, সাধারণ বেঁটে জাতের তুলনায় একটু বেশি। এর ১৫-১৭টি পাতা বাঞ্ছনীয়। মোচার রং কালচে-বাদামি, লম্বাটে গড়ন, মাথা সুচালো। কলার ওজন ১৫০-২৫০ গ্রাম। ছড়ার সংখ্যা ৯-১২টি, ছড়ায় কলা থাকে ২০-২৫টি, সংরক্ষণ কাল ২-৩ দিন।

আরও পড়ুন: গোলপাতা চাষ ও গোল গুড় উৎপাদন হতে পারে সুন্দরবন উপকূলের বিকল্প কর্মসংস্থান

একটি বামন ডুয়ার্ফ ক্যাভেন্ডিস

ডুয়ার্ফ ক্যাভেন্ডিস গাছ প্রতি ফলন ২০-২২ কেজি। গাছের উচ্চতা ১.৭৫-২ মিটার। কলা সবুজ/ হলদে (শীতের সময় হালকা হলুদ রং)।

রোবাস্টা  ফলন গাছ প্রতি ২০-২৫ কেজি। গাছের উচ্চতা ২-২.৫ মিটার। গাছটি থামের আকৃতি, বলিষ্ঠ উপকাণ্ড, সহজে কাঁদি পড়ে যায় না। রং সবুজ, শীতের সময় অল্প হলুদ রঙের ফল হয়।

Buy Fresh Banana Robusta Online in Delhi at Mandi Rates
রোবাস্টা ব্যানানা

অমৃতসাগর/ সাগর কলা সুস্বাদু, পাকলে হলুদ রং, সুন্দর গন্ধ। তবে চাষের জন্য অর্থকরীভাবে উপযুক্ত নয়, নিজে খাবার জন্য কিচেন গার্ডেনে লাগানো যায়। সংরক্ষণ কাল ৩-৪ দিন।

অমৃত সাগর

লালকলা/ অগ্নিশ্বর/ লাল ভেলচি ফলন গাছ প্রতি ১২-১৫ কেজি। কিছু কিছু স্থানে চাষ হয়। তামিলনাড়ুতে জাতটি খুব জনপ্রিয়। এর মোটা খোসার জন্য সংরক্ষণ কাল বেশি, প্রায় ৪ থেকে ৬ দিন।

লালকলা

চাঁপা কলা  দক্ষিণ ভারতে এর অন্য নাম ‘পুভান’। ফলন: গাছ প্রতি ১৫-২০ কেজি। আকারে অন্য কলার চাইতে ছোট, সংরক্ষণ কাল দীর্ঘ, ৫-৭ দিন। ভেতরে হালকা গোলাপি শাঁস, একটু টক, সংখ্যায় অনেক বেশি (১৫০-২০০টি)। গাছ শক্তপোক্ত, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত বেশি। এই জাতে লিফ-স্পট বা পাতায় দাগ রোগ, ঢলে পড়া রোগ বা উইল্ট হয় না বললেই চলে। এর উচ্চতা ২.৫-৩ মিটার। গাছে ফল পাকতে সময় লাগে ১৪-১৬ মাস। মোচা কাঁঠালির চাইতে কালচে, একটু গাঢ় কালচে গোলাপি।

কাঁঠালী কলা  এক একটি গাছে ১৫-২৫ কেজি ফলন মেলে। বাইশা বা বাগদা কাঁঠালীতে ফলন ২০-৩০ কেজি। কাঁঠালীর বিভিন্ন জাত আছে। বাড়িতে লাগানো যায়, রাস্তার ধারেও লাগানোর চল আছে। উচ্চতা ৩-৩.৫ মিটার। ফল পাকতে সময় নেয় ১৫-১৮ মাস। কাঁঠালী সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত। একে ‘পুজোর কলা’ বলে। এটি রোগীর কলাও বটে, কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীরা নিয়মিত খান। সংরক্ষণ কাল সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭-৮ দিন। এই কলা কেটে দূরের বাজারে নেওয়ার সমস্যা কম। সমস্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে, সহজে ড্যামেজ হয় না।

মালভোগ/ মর্তমান উত্তরবঙ্গে এর নাম ‘সবরি’। ফলন গাছ প্রতি ১৪-১৮ কেজি। সংরক্ষণ কাল খুব কম, ২-৩ দিন। গাছের উচ্চতা চাঁপার কাছাকাছি, তবে একটু কম, ২.২৫-২.৭৫ মিটার। ফল পেতে সময় লাগে ১৩-১৫ মাস।

মর্তমান

বিচিকলা  এর ফলন গাছ প্রতি ৩০-৪০ কেজি। গাছের উচ্চতা ৬-৭ মিটার, গাছ বড় থামের মতো শক্ত হয়। সবরকম রোগ, কীটশত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা দেখতে পাওয়া যায় এই জাতে। ফল পেতে সময় লাগে ২২-২৪ মাস। সংরক্ষণকাল ৭-৮ দিন।

প্রাচীন ফলের সন্ধানে – BAARTA TODAY
বিচিকলা  

কাঁচকলা  গাছের উচ্চতা ২.৫ থেকে ৩ মিটার, চাঁপা কলার মতো।

কাঁচকলা  

বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েকটি কলার জাত নির্বাচন করা হয়েছে। বিসিবি-১ (কাঁঠালি জাত থেকে নির্বাচিত), বিসিবি-২ (‘মন্থন’ কাঁচকলা থেকে নির্বাচিত), বিসিবি-৩ (বাগদা কাঁঠালি থেকে নির্বাচিত), বিসিবি-৪ (বৈশাখী কাঁঠালি থেকে নির্বাচিত)। বিসিবি-১ জাতটির উচ্চতা ৩.৭ থেকে ৪ মিটার, ৪৮০-৫০০ দিনের জাত, কাঁদির ওজন ২৭-৩০ কেজি, হেক্টরে ফলন ৫৪-৬০ টন, এক একটি কলার ওজন ১৩৫-১৪১ গ্রাম, কখনও ১/২ টি বীজ থাকে।

কলা চাষের মাটি আর জলবায়ু

জলবায়ু

* উষ্ণ আর আর্দ্র জলবায়ু

* তাপমাত্রা ২৫-৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড

* বৃষ্টিপাত ১০০০-২০০০ মিলিমিটার

আরও পড়ুন: নবানে কার্তিক ও কার্তিকের কৃষি সম্পৃক্ততা

মাটি

* সেচের সুবিধা থাকলে যেকোনও মাটি উপযোগী

* উর্বর ও জৈবপদার্থে সমৃদ্ধ মাটি

* পলি-দোঁয়াশ, দোঁয়াশ অথবা এঁটেল-দোঁয়াশ মাটি দরকার।

কলা লাগানোর তিন মরশুম

১. প্রথম মরশুম মধ্য জানুয়ারি থেকে মধ্য মার্চ (মাঘ এবং ফাল্গুন)

২. দ্বিতীয় মরশুম মধ্য মার্চ থেকে মধ্য মে (চৈত্র এবং বৈশাখ)

৩. তৃতীয় মরশুম মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য নভেম্বর (আশ্বিন এবং কার্তিক)।

কলার রোপণ-দূরত্ব

বেঁটে জাত: ১.৮ X ১.৮ মিটার

মাঝারি জাত: ২ X ২ মিটার

লম্বা জাত :  ২ X ২.৫ মিটার

(রোপণের জন্য ১ ঘন ফুট গর্ত বানাতে হবে)

কলাগাছে জৈব-খাবার পরিবেশনের সূচি

প্রতিটি গাছে:

খামার পচা সার— ১০ কেজি

নিম খোল— ১.২ কেজি

কেঁচো সার— ৫ কেজি

কাঠের ছাই— ১.৭৫ কেজি

জীবাণু সার:

VAM— ২৫ গ্রাম

অ্যাজোস্পাইরিলাম— ৫০ গ্রাম

PSB— ৫০ গ্রাম

ট্রাইকোডারমা— ৫০ গ্রাম

তিন দফায় সবুজ সার ফসল চাষ (শণ/ধইঞ্চা) + দু-দফায় সাথি-ফসল বরবটির চাষ।

ফলন সম্ভাবনা: হেক্টরে ৭৫ টন

স্বাভাবিক ক্ষেত্রে: হেক্টরে ৫০ টন।

কলা গাছে কী সার দেবেন?

* গাছ লাগানোর দিন দশেক আগে গর্ত খুঁড়তে হবে (১ ঘন মিটার)

* তার মধ্যে ১০ কেজি জৈব সার আর ২৫০ গ্রাম SSP

প্রতি গাছে অজৈব সারের বরাদ্দ: 

তিন দফায় ভাগ করে মাটিতে দিন (৩, ৫ ও ৭ মাস বাদে)

SSP প্রথমেই মাটিতে দিয়ে দিতে হবে।

বেঁটে জাতের ক্ষেত্রে

৫৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩২০ গ্রাম সিঙ্গেল সুপার ফসফেট,  ৫০০ গ্রাম মিউরিয়েট অব পটাশ।

লম্বা জাতের জন্য

৪৫০: ৩২০:৪১৫ গ্রাম হিসাবে।

কলার ফল ফেটে গেলে কিংবা শক্ত লাম্পিনেস দেখা গেলে

বোরন বা সোহাগার স্প্রে ০.১ শতাংশ হারে ২-৩ মাস অন্তর।

কলা গাছে জলসেচ

১. সার প্রয়োগের শেষে একটা সেচ।

২. শীতকালে ১২ দিন অন্তর ভেলি কেটে সেচ।

৩. গ্রীষ্মে ১০ দিন অন্তর সেচ।

৪. ড্রিপ ইরিগেশনে জলের সাশ্রয় হয়।

কলার জমিতে আগাছা নিয়ন্ত্রণ

১. বরবটির মতো সাথি ফসল চাষ করে তা মাটিতে সবুজসার হিসাবে মিশিয়ে দেওয়া।

২. আগাছানাশকের ব্যবহার (প্রতি লিটার জলে ৪ মিলিলিটার)

ক. প্যারাকোয়াট (২৪ % এস. এল)

খ. গ্লাইফসেট (৪১ % এস. এল)।

 কলার জমিতে সাথী ফসল

* চারা লাগানোর পর ৫-৬ মাস সাথি ফসল ফলানো যাবে।

* শীতকালে বাঁধাকপি, গ্রীষ্মকালে লাল শাক আর পুঁই ডাঁটা।

* সাথি ফসলের জন্য দরকার অতিরিক্ত সার ও পরিচর্যা।

কলা বাগানের বিশেষ পরিচর্যা

১. ভেলি অপসারণ: গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে ভেলি তুলে দুই সারির মাঝে সেচ নালা তৈরি।

২. তেউড় অপসারণ: নিয়মিত তেউড় তুলে মাদায় গাছের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা।

৩. রোগগ্রস্ত পাতা সরানো: পুরনো ও রোগগ্রস্ত পাতা তুলে গর্তে ফেলতে হবে বা পোড়ানো হবে।

৪. মোচা কাটার পর কাঁদির ডগায় পুষ্টি দ্রবণ পরিবেশন করে ফল ও কাঁদির ওজন বৃদ্ধি:  (৩০০ গ্রাম পলিথিন প্যাকেটে দ্রবণ)

১০ লিটার জলে ১০ কেজি কাঁচা গোবর

১৫০ গ্রাম ইউরিয়া

১৫০ গ্রাম পটাশিয়াম সালফেট

৫. মোচা কাটার কাঁদি ঢেকে দেওয়া

(৬% ছিদ্র বিশিষ্ট ১০০ গেজের স্বচ্ছ বা নীল পলিথিন ব্যবহার)।

কলার প্রধান ক্ষতিকর কীটশত্রু

১. ক্ষতচিহ্নকারী কীড়া বা Leaf scarring Beetle

২. কাণ্ডছিদ্রকারী মাজরা পোকা (Psudostem Weevil)

কলার মুখ্য রোগ-সমস্যা

১. ঢলে পড়া বা পানামা উইল্ট (মৃত্তিকা বাহিত ছত্রাকঘটিত)

২. পাতায় দাগ রোগ বা সিগাটোগা লিফ স্পট (ছত্রাক ঘটিত)

৩. গুচ্ছমাথা বা বাঞ্চিটপ (ভাইরাস ঘটিত)

৪. ব্যাকটিরিয়া-ঘটিত ঢলে পড়া রোগ

প্রবন্ধে তথ্য সহায়তা করার জন্য অধ্যাপক দিলীপ কুমার মিশ্র-র কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি। কৃতজ্ঞতা ICAR-AICRP Fruits, Mohanpur Center-এর কাছেও।

ছবি ইন্টারনেট

ড. কল্যাণ চক্রবর্তী কৃষি বিশেষজ্ঞ ও প্রাবন্ধিক

Facebook Twitter Email Whatsapp

One comment

  • Goutam Chattopadhyay

    কলেরায় কলার রসের ব্যবহার পড়ে মনে হোলো পেট খারাপে/আমাশায় এক কাপ জলে কাঁচা কলা কেটে সারারাত ভিজিয়ে রেখে খেলে উপকার হয়।
    ভেলোরে জুইস পার্লারগুলোয় থোড়ের রস বিক্রি হয় খুব কারণ কিডনি রোগীদের জন্যে এটা ডাক্তারি বিধান।
    তামিলনাডুতে/কেরালায় লাল কলা ভাজা খেয়েছি। আর কাঁচকলার চিপসের ব্যবহার এখন দক্ষিণ ভারত থেকে এই বাংলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *