Latest News

Popular Posts

স্ত্রী-মেয়েকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে পুলিশকে খবর, খাস কলকাতায় চাঞ্চল্য

স্ত্রী-মেয়েকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে পুলিশকে খবর, খাস কলকাতায় চাঞ্চল্য

Mysepik Webdesk: এলোপাথাড়ি ছুরি মেরে প্রথমে স্ত্রীকে খুন, মাকে বাঁচাতে এলে মেয়েকেও সেই ছুরি দিয়ে খুনের চেষ্টা, তারপর নিজেই ১০০ ডায়াল করে থানায় ফোন করে সব ঘটনার বর্ণনা দিলেন এক ব্যক্তি। রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার ৩৩সি মনোহর পুকুর রোডের পুষ্পক এপার্টমেন্ট শনিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবরে স্তম্ভিত হয়ে গেল গোটা কলকাতা। ইতিমধ্যেই স্ত্রীকে খুন ও মেয়েকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত অরবিন্দ বাজাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: অনির্দিষ্টকালের জন্য কলকাতায় মিলবে না কোভ্যাকসিন

পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ থানার ১০০ নম্বরে একটি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে ওই ব্যক্তি জানান, তাঁর নাম অরবিন্দ বাজাজ। তিনি ৩৩সি মনোহর পুকুর রোডের পুষ্পক অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা। তিনি কিছুক্ষন আগে তাঁর স্ত্রী ও ১৮ বছরের মেয়েকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছেন। ফোন পেয়েই পুলিশ তড়িঘড়ি করে ছুটে যান ওই ব্যক্তির দেওয়া ঠিকানায়। দরজা খুলে পুলিশ দেখতে পায় এক মহিলা ও একটি মেয়ের দেহ পড়ে রয়েছে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘরের মেঝে।

আরও পড়ুন: কফিনবন্দি হয়ে উত্তরাখণ্ডে দুর্ঘটনাগ্রস্থ পাঁচ পর্যটকের দেহ ফিরল কলকাতায়

দু’জনকেই উদ্ধার করে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে পাঠানো হলে অরবিন্দর স্ত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। তাঁর শরীরে একাধিক ছুরির আঘাত পাওয়া যায়। তখনও অরবিন্দর মেয়ে বেঁচে ছিল। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তৎক্ষণাৎ অরবিন্দ বাজাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে পুলিশকে জানায়, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। কোনও কারণে সেদিন স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ায় তিনি রাগের মাথায় স্ত্রীকে খুন করেন। সেই সময় তাঁর মেয়ে ঘরে ঢুকে মাকে বাঁচাতে চেষ্টা করলে, তাঁকেও খুন করার চেষ্টা করেন তিনি। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে খুনের তদন্ত শুরু করেছে।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *